logo

orangebd logo
ভাস্কর্য, হেফাজত এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা
সীমান্ত প্রধান

১৫ জানুয়ারি এক বিবৃতির মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে স্থাপিত 'লেডি জাস্টিস'র ভাস্কর্য সরানোর দাবি তুলেছিল হেফাজত ইসলাম। ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজতসহ ওলামাদের বৈঠক হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রীও এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বলেছিলেন_ 'সুপ্রিম কোর্টের সামনে সমপ্রতি স্থাপন করা থেমিসের মূর্তি আমিও পছন্দ করিনি।' সেই সঙ্গে একই বৈঠকে সেই ভাস্কর্য সরানোর ব্যাপারে আলেমদের তিনি আহ্বান করেছেন তার ওপর ভরসা রাখার জন্য। ফলশ্রুতিতে ১৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি এ নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বিশেষ দিনে মূর্তিটিকে ঢেকে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এখানে দেখা যাচ্ছে হেফাজতের দাবির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীও একমত হওয়ায় বিশেষ দিনে ওই ভাস্কর্য ঢেকে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে হেফাজতের দাবির আংশিক হলেও বাস্তবায়ন হয়েছে। এর মানে হেফাজতের দাবির কাছে আমাদের সরকার স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছে বললে বিশেষ একটা ভুল হবে না। একই সঙ্গে মনে হচ্ছে এই সরকার হেফাজতের অন্যান্য দাবি-দাওয়াও ধীরে ধীরে পূরণ করতে শুরু করবে। কেননা, এই হেফাজত পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে যেই বিবৃতি প্রদান করেছিল তা কিন্তু ২০১৭ সালের শিক্ষাক্রমে প্রতিফলিত হয়েছে। যেখানে সাম্প্রদায়িকতা স্পষ্ট। যা নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিজ্ঞজনরাও হতবাক হয়েছে।হেফাজত সুপ্রিম কোর্টের ভাস্কর্য সরানোর দাবিতে যে বিবৃতি দিয়েছিল সেখানে তারা বলেছিল, 'মুসলমানরা স্থাপত্যকলা ও শিল্পকলার বিরুদ্ধে নয়, কিন্তু গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপনপূর্বক আমাদের জাতীয় মন ও মানসে বিজাতীয় কৃষ্টির অনুপ্রবেশ আমরা বরদাশত করব না। গ্রিকপূরানের কল্পিত দেবী থেমিস রোমানদের কাছে ন্যায়ের প্রতীক হতে পারে, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য থেকে ধার করে কেন হীন ঔপনিবেশিক ধ্যানধারণা লালন করব?' তাদের এমন দাবি যদি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করি, তাহলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনও কিন্তু তারা মেনে নিবে না। নেয়ার কথাও না। কেননা, বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত আইনশাস্ত্রের গোড়াপত্তন কিন্তু রোমান যুগে। বাংলাদেশেও আইনশাস্ত্রে রোমান আইন পড়ানো হয়। তাহলে সামনে তারা এই আইন বাতিলের দাবি জানাবেন! এটাও এখন অনেকটা স্পষ্ট। তবে আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে এই হেফাজতকে সরকার কেন এতটা প্রাধান্য দিচ্ছে? তাহলে কী সরকার ভয় পাচ্ছে নাকি এটা ভোটের রাজনীতি? অথবা কওমিপন্থিদের এক কোটি ভোট সরকারের দিকে টানতেই কী হেফাজতকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে? স্বাভাবিকভাবে এমন প্রশ্ন এসেই যাচ্ছে। আর এ প্রশ্নগুলো অমূলক বলেও মনে হচ্ছে না। কেননা, হেফাজত একের পর এক ইস্যু তৈরি করে আন্দোলনের নামে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উত্থাপন করেই চলেছে। সর্বশেষ তারা শুধু মূর্তিই নয়, প্রধান বিচারপতিরও অপসারণ দাবি করেছেন! এর অর্থ হচ্ছে তাদের দাবি ধীরে ধীরে ডাল-পালা ছড়াচ্ছে। সামনে এই পরিধি আরও বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে। সেই সঙ্গে দ্বিধাহীনভাবেই বলতে পারি হেফাজতকে কাছে টেনে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভুল করছেন।যদি একটু পিছনে ফিরে তাকাই তবে দেখতে পাবো যে, এই দেশে ভাস্কর্য অপসারণ বিতর্ক আজকের নয়। অতীতেও ধর্মান্ধরা ভাস্কর্য অপসারণের দাবি তুলে বিক্ষোভ করেছিল। ওয়ান ইলেভেনের সময় বিমান বন্দরের কাছে স্থাপিত লালন ফকিরের ভাস্কর্য অপসরাণের দাবি তোলা হয়। সেই দাবির কাছে সরকারও আত্মসমর্পণ করে। ভাঙা হয় ভাস্কর্যটি। সেই একই কায়দায় সুপ্রিম কোর্টের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি তুলেছে হেফাজত। তাদের এই দাবির কাছে আমাদের বর্তমান সরকারও নমনীয়তা প্রকাশ করেছে, যা আগামীর জন্য ভয়াবহ কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০১৩ সালে এই হেফাজতের চরিত্র কী ছিল? আমাদের প্রধানমন্ত্রী সে কথা কী ভুলে গিয়েছেন! এই হেফাজতই তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার লক্ষ্যে ওই বছরের ৫ মে ঢাকা শহরে চরম অরাজকতা সৃষ্টি করে এবং বেশকিছু লোকের মৃত্যু ঘটিয়েছিল বলে জানা যায়। এমনকি সরকার পতন না করে তারা ফিরবে না বলেও সেদিন অঙ্গীকার করেছিল। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল তারা কেন করতে চেয়েছিল, কারা ছিল এর নেপথ্যে, নিঃসন্দেহে জামায়াতে ইসলামী? তাহলে হেফাজাত আর জামায়াতে ইসলামীকে একই বলা যেতে পারে। বলা যেতে পারে তারা একটি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। যদি বলি সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনা নিয়েই তারা সরকারের মধ্যে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে_ তাহলে কী খুব ভুল বলা হবে? তবে সেই ২০১৩ থেকে অদ্যাবধি হেফাজত যেসব দাবি তুলছে তা কিন্তু জামায়াতেরই দাবি। কেবল মাধ্যমটা ভিন্ন।২০১৩ সালে হেফাজত ইসলাম শাপলা চত্বর দখল নিয়ে সরকারের কাছে যে ১৩ দফা দাবি তুলেছিল তার সাত নম্বর দাবিটি ছিল_ 'মসজিদের নগর ঢাকাকে মূর্তির নগরে রূপান্তর এবং দেশব্যাপী রাস্তার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করা।' এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে, তারা ভাস্কর্য তথা মূর্তির ঘোরবিরোধী। আমরা দেখেছি, যুগযুগ ধরেই সব ধর্মের মোল্লা-পুরোহিত-পাদ্রিরা বিভিন্ন সময় ওৎ পেতে থাকে কোনো একটি ইস্যু বানিয়ে বিচ্ছৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। সুপ্রিম কোর্টের ভাস্কর্য নিয়ে হেফাজতিদের ইস্যুটিও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারার অংশ। তবে তাদের এই দাবিটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের ভিত্তিমূলে আঘাত হানারও শামিল বললে ভুল হবে না। যা দুঃসাহসিক ধৃষ্টতা। এই ধৃষ্টতার কারণে তারা প্রধান বিচারপতিরও অপসারণ দাবি করতে শুরু করেছে! একদা অন্ধকার যুগ ছিল, তখন ধর্মান্ধরা যেমন খুশি, যা ইচ্ছে করতে পারত ধর্মকে ব্যবহার করে। সেসময় ধর্মীয় ইস্যুতে তাদের সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত। ধর্মের মূলে কি আছে (?) তা নিয়ে সেসময় চর্চা করার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সে যুগ নেই। সময় পাল্টেছে। মানুষ চাঁদে যাচ্ছে। মঙ্গল জয় প্রায় চূড়ান্ত। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মানুষ ঘরে বসেই পৃথিবীর তাবৎ তথ্য-উপাত্ত পেয়ে যাচ্ছে। তা নিয়ে চর্চা হচ্ছে। সুতরাং মানুষকে ধর্মের অজুহাতে ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি সহজলভ্য নয়। আমাদের সরকারও সেটি জানে, তারপরও তারা হেফাজতকে কেন টানতে যাচ্ছে! তাদের দাবিগুলোই বা মানছে কেন! তাহলে কী আমাদের ধর্ম নিরপেক্ষ সরকার তাদের ধর্ম নিরপেক্ষতার আদল ছেড়ে বের হয়ে আসছে? যদি তা না হয়ে থাকে, তাহলে বলব, প্রধানমন্ত্রী আপনি ভুল করছেন। খাল কেটে কুমির নিয়ে আসছেন। এই কুমির একদিন আপনাকেও বধ করার চেষ্টা করবে।আবারও আসি হেফাজতের মূর্তি অপসারণ প্রসঙ্গে। ইসলামে মূর্তি পূজা নিষেধ। আচ্ছা সে না হয় মেনে নিলাম। কিন্তু মূর্তি তথা ভাস্কর্য বানানো যাবে না_ এ নিয়ম কী কোনো গ্রন্থে লিপিবব্ধ আছে? যদি তা না থাকে, তাহলে এ নিয়ে তাদের এতটা আস্ফালন কেন? আচ্ছা, আমাদের দেশের ধর্মীয় নেতারা যেসব দেশকে অনুসরণ করেন, যাদের অনুদানে তারা চলেন, যাদের জোরে কথা বলেন_ সেসব দেশে কি ভাস্কর্য নেই? আমরা জানি পৃথিবীর ইতিহাসে সব থেকে বেশি কট্টরপন্থি ইসলামিক দেশ হচ্ছে ইরান, সেই ইরানে কি ভাস্কর্য নেই? অথবা যদি সৌদি আরবের কথা বলি_ সেখানে কি ভাস্কর্য নেই? মালয়েশিয়া কিংবা বাহরাইনে কি ভাস্কর্য নেই? আমরা জানি কট্টর ইসলামপন্থি দেশ ইরানের প্রায় অনেক স্থানেই অসংখ্য ভাস্কর্য রয়েছে। যা সে দেশের সৌন্দর্য বর্ধনে সহায়ক আবার সেসব স্মৃতি ফলকও। এর মধ্যে ইয়াজুস শহরে স্থাপিত 'আরিও বারজান' এর মূর্তি_ এই সেনাধ্যক্ষ সামান্য কয়েকজন সৈন্য নিয়ে মহাবীর আলেকজান্ডারসহ তার বিশাল বাহিনীকে থামিয়ে দিয়েছিল। যার স্মৃতিস্বরূপ ওই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। এছাড়াও আরেকটি ভাস্কর্য সম্পর্কে জানা যায়, এক অটোন্যান যোদ্ধা তার হাতে পরাজিত ও আহত এক 'আনযাক' শত্রু সৈন্যকে বহন করে পেঁৗছে দিচ্ছে নিরাপদে। যা শিক্ষণীয় ও অটোন্যান যোদ্ধার স্মৃতির প্রতিফলক হিসেবে নির্মাণ করা হয় এই ভাস্কর্য। তুর্কেমেনিয়ান বীর 'ওযুদ খান' এর একটি ভাস্কর্য রয়েছে ইরানে। তুর্কেমেনিস্তানে নিখুঁত সুন্দর এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছে। অসাধারণ সৌন্দর্যের প্রতীক ওযুদ খানের ভাস্কর্যটি দর্শণার্থীদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ ইরানের 'কিশ আইল্যান্ড' সৈকতে স্থাপিত নিতান্ত নান্দনিক এক জেলে মূর্তি রয়েছে। যা সত্যি মনঃমুগ্ধকর। এছাড়াও রয়েছে অপরূপ সুন্দরী কুর্দি মহিলা কবি ও লেখক 'মাস্তুরা আর্দালান'-এর সুচারু মূর্তি। যা শোভা পাচ্ছে কবির নিজ শহর সেন্দাজ-এ।তাহলে স্বাভাবিক অর্থে প্রশ্ন আসে সরিয়া আইনে চলা সেসব দেশে যদি ভাস্কর্য থাকতে পারে, তাহলে আমাদের দেশে কেন নয়? আসলে ভাস্কর্য অপসারণ একটা ইস্যুমাত্র। এর নেপথ্য রয়েছে জামায়াত-শিবিরের মহাপরিকল্পনা। রয়েছে প্রতিশোধের নেশা। যা তারা হেফাজতের মাধ্যমে সেই প্রতিশোধের মিশনে নেমেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে হেফাজতকে যেমনটি নামিয়েছিল ২০১৩ সালে, আজ ভিন্ন ফর্মূলায় এগিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তারা অনেকটা সফলও হচ্ছে। এখন যদি কেউ প্রশ্ন করেন, সেটি কিভাবে? অথবা জামাত কেন হেফাজতকে দিয়ে প্রতিশোধ নিতে চাইবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে কিছু উদাহরণ তুলে না ধরা পর্যন্ত হয় তো ব্যাপারটি স্পষ্ট হবে না। তাহলে সে উদাহরণে প্রথমেই আসি জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক 'দাঁড়ি পাল্লা' প্রসঙ্গে। ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর দেশের সর্বোচ্চ আদালত এক রায়ে বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের মনোগ্রাম হিসেবে ব্যবহার করা দাঁড়িপাল্লা ন্যায় বিচারের প্রতীক সুতরাং এই প্রতীক কোনো রাজনৈতিক দল ব্যবহার করতে পারবে না। যার কারণে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রতীক হারায়। ফলশ্রুতিতে তারা কায়দা করে মাত্র কদিনের ব্যবধানে হেফাজত, ওলামালীগ ও চরমোনাইকে দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে স্থাপিত গ্রিক দেবী থেমিসের ভাস্কর্য সরানোর দাবি তুলেন। কারণ, এই ভাস্কর্যের হাতে দাঁড়িপাল্লা রয়েছে। যা তাদের দৃষ্টিতে পড়ামাত্রই হৃদয়কে ক্ষত-বিক্ষত করে।এছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির দ- বহাল রাখায় সুপ্রিম কোর্টের ওপর তাদের সব থেকে বেশি ক্ষোভ কাজ করছে। এজন্য তারা প্রধান বিচারপতির ওপরও ক্ষোভ। যার ফলশ্রুতিতে হেফাজতকে দিয়ে এবার প্রধান বিচারপতিরও অপসারণ দাবি করেছে তারা। ধীরে ধীরে এমন আরও অনেক দাবিই তাদের দিক থেকে উঠে আসবে। আর আমাদের সরকারের যে নমনীয়তা পরিলক্ষিত হচ্ছে, এতে করে বোঝা যাচ্ছে তাদের উত্থাপিত দাবি আংশিক হলেও মেনে নিবে। আসলে জামায়াত ইসলামী হেফাজতের আদলে অঘোষিত শক্তির মহড়া দিতে শুরু করেছে। এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যৎ যে তারা ভীষণ রকম ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের অন্যতম শক্তি বর্তমান সরকারকে সবিনয়ে অনুরোধ করবো_ আর যা করেন, অনুগ্রহ করে হেফাজতকে কাছে টেনে ভুল করবেন না। কেননা, যারা কট্টরপন্থি, যাদের কাছে অন্য ধর্মাবলম্বীদের নূ্যনতম সম্মান নেই, যারা পাঠ্য বই থেকে হিন্দু, খ্রিস্টান, নাস্তিক লেখকদের লেখা বাদ দেয়ার দাবি তুলে, তার আর যাহোক বাঙালি হতে পারে না। তারা আমাদের জাতীয় সঙ্গীত কখনো গায় কিনা, এ নিয়েও গভীর সন্দেহ রয়েছে। কেননা, জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেছেন বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী। সুতরাং তাদের নীতি ও আদর্শই প্রমাণ করে যে, তারা এই সঙ্গীতেরও ঘোরবিরোধী। সুতরাং তারা এই সঙ্গীত গাইতে পারেন না। আর যারা জাতীয় সঙ্গীতকে বুকে ধারণ করতে পারে না, তারা বাঙালি হয় কি করে? হয় তো তারা প্রকাশ্যে না হলেও মনে মনে 'পাক সার জমিন সা'দবাদ'-ই গেয়ে থাকেন।[লেখক : কবি ও সাংবাদিক]ংরসধহঃধঢ়ৎড়ফযধহ০৫@মসধরষ.পড়স

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close