logo

orangebd logo
ক্যারিয়ার
চাকরি প্রস্তুতি

বরং বিশ্বাস রাখুন। লেগে থাকুন। চেষ্টা করে যান। একটু সময় লাগতে পারে, সেটা স্বাভাবিক।

১. সিভি দেবেন, ইন্টারভিউ দেবেন, কয়েকটা জায়গা থেকে প্রত্যাখ্যাত ও হবেন-এটা 'পার্ট অব দ্য গেম'। অন্য আরও অনেক কিছুর মতো চাকরির আবেদন করাও একটা চর্চার বিষয়। বারবার আবেদন করতে করতেই আপনি আপনার দুর্বলতা ও শক্তির জায়গাগুলো জানবেন। ভুলগুলো শোধরানোর সুযোগপাবেন।

২. আপনি একটা প্রতিষ্ঠানের যেপদে কাজ করতে চান, শুরুতেই হয়তো আপনাকে কেউ সেই কাজটা দেবে না। আগে ঠিক করুন, কোন ক্ষেত্রটাতে আপনি ক্যারিয়ার গড়তে চান। শুরুটা না-হয় একটু ছোটপদ থেকেই হলো, তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আগে তো দরজায় পা রাখা হোক, ওপরে ওঠার সিঁড়িটা না-হয় তারপর তৈরি করে নেওয়া যাবে। কাজ শুরু করলে লোকজনের সঙ্গে আপনারপরিচয় হবে, নিজের দক্ষতা দেখানোর সুযোগ হবে। এই সুযোগ হারাবেন না।

৩.পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে, ঋণ শোধ করতে হবে...এসব চাপ আপনাকে পীড়া দিতেপারে। কিন্তু শুরুতে শুধু উপার্জন করাই যেন আপনার লক্ষ্য না হয়। চাকরিদাতারা তো আপনার সামর্থ্য যাচাই করবেনই, আপনার নিজেকেও নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে জানতে হবে। প্রথমে তাই অভিজ্ঞতার ঝুলিটা ভারী করার দিকে মনোযোগ দিন।

৪. স্নাতক শেষ করেই সিভি পাঠানো শুরু করবেন না। আগে বর্তমান বাজার আর আপনার লক্ষ্য মাথায় রেখে 'রিসার্চ' করুন।পড়ুন, জানুন। আপনি যেখানে কাজ করতে চান, সেইপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালো করে জানুন। চাকরির ইন্টারভিউতেও আপনাকে এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে হতেপারে। একটা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে ইন্টারভিউতে হাজির হওয়াটা খুব বোকার মতো কাজ।

৫. প্রথম চাকরির ক্ষেত্রে আলাপের প্রারম্ভেই বেতন, ছুটি, সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি সম্পর্কে প্রশ্ন করা ঠিক হবে না। প্রথমে নিশ্চিত হোন চাকরিদাতা আপনার ব্যাপারে আগ্রহী কি না। যদি আপনি নির্বাচিত হোন, তারপর এসব নিয়েপ্রশ্ন করুন।

৬. চাকরি দাতারা প্রার্থীর চোখে আত্মবিশ্বাস খোঁজেন। আপনাকে দেখে যেন মনে না হয়-চাকরি খুঁজতে খুঁজতে আপনি ক্লান্ত, হতাশ; একটা চাকরি না হলে আপনার চলছেই না। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে 'হ্যান্ডশেক' করুন। অন্যমনস্ক হবেন না। আপনার শরীরী ভাষাতেই যেন আপনার শক্তিটা টেরপাওয়া যায়। আপনাকে দেখে যেন মনে হয়, আপনি সময়টা উপভোগ করছেন।

৭.আপনার ইন্টারভিউ যিনি নেবেন, তিনিও একসময় অনভিজ্ঞ ছিলেন। কাজ করতে করতেই হয়তো অভিজ্ঞ হয়েছেন। আপনার কাজের অভিজ্ঞতা নেই, সেটা আপনার 'অপরাধ' নয়। অতএব, ব্যাপারটা সহজভাবে নিন। অন্যপ্রার্থীরা কতখানি অভিজ্ঞ, সেসব নিয়ে ভাববেন না। ভাবুন, আপনি কীভাবে অবদান রাখতেপারেন? সিভিতে আপনার ছোটখাটো যোগ্যতা গুলোও লিখুন। হতেপারে আপনি জাদু দেখাতে পারেন বা আপনি ছবি আঁকতে পারেন। কাজের সঙ্গে এসবের সম্পর্ক না থাকুক, তবু আপনার সামথ্র্যের কথা লিখুন।

৮. প্রথম চাকরি কারও সুপারিশে না হওয়াই ভালো। প্রথম চাকরি হোক আপনার নিজের যোগ্যতায়। এতে আত্মবিশ্বাসপাবেন। আপনার পরিবার বা আত্মীয়স্বজনের কেউ হয়তো কোনোপ্রতিষ্ঠানে বড়পদে আছেন। এই 'সুযোগ' কাজে না লাগানোই ভালো। হতেপারে অন্য প্রার্থীদের কেউ আপনার চেয়েও যোগ্য; কিন্তু সুপারিশের জোরে আপনি চাকরিটা পেয়ে গেলেন। এটা অনেকটা নকল করে পরীক্ষা দেওয়ার মতো।

৯. কাজটা করার জন্য যাঁরা আগ্রহী, যাঁদের মধ্যে 'প্যাশন' আছে; চাকরিদাতারা তাঁদেরইপছন্দ করেন। যে কাজের জন্য আপনি আবেদন করছেন, সেই কাজের ক্ষেত্রটির প্রতি আপনার আগ্রহটা চাকরিদাতাকে বুঝিয়ে দিন।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close