logo

orangebd logo
'বুমরাহর নো বলটা টার্নিং পয়েন্ট'
লয়েড
সংবাদ স্পোর্টস ডেস্ক

ফেভারিট হয়েও ফাইনালে হারের যন্ত্রণা কী, তার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। ১৯৮৩ সালের ২৫ জুন। লর্ডসের সেই প্রুডেনশিয়াল কাপ ফাইনাল ক্রিকেটের ইতিহাসের সেরা অঘটন বলে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে। সে দিন হেরে যাওয়া বিশ্বত্রাস সেই ক্যারিবিয়ান দলের অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড মেনে নিতে পারছেন না রোববারের ফাইনালে বুমরাহর 'নো' বল।

বুমরাহকে নিয়ে কী করা যায়? লাঞ্চ করতে বসে নিজেই জিজ্ঞেস করলেন লয়েড। তারপর বললেন, 'এখন প্র্যাকটিসের পদ্ধতি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু এত আধুনিক হয়ে গেছে। এতগুলো কোচ রয়েছে। সাপোর্ট স্টাফ রয়েছে। তারপরেও আন্তর্জাতিক ম্যাচে নো বল কেন হবে? বুমরাহর নো বলটাই তো টার্নিং পয়েন্ট হয়ে গেল!' মনে করিয়ে দিলেন, 'এটাই কিন্তু প্রথমবার নয়। বুমরাহ আগেও নো বল করেছে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। আর তাতে ওর দলকে ভুগতেও হয়েছে।'

লয়েডের তথ্যে কোন ভুল নেই। শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে 'নো' বলের অভিশাপ তা করেছে ভারতীয় দলকে। লয়েডকে বলা গেল, তার দলে বিশ্বত্রাস, সর্বসেরা সব ফাস্ট বোলার ছিলেন। বড় চেহারার অনেক ফাস্ট বোলার খেলেছেন তার অধীনে। তারা কেউ এরকম 'নো' বল করতেন? রবার্টস, হোল্ডিংদের অধিনায়ক বললেন, 'একেবারে কেউ করত না বলা যাবে না। আমি সিস্নপে দাঁড়াতাম। আম্পায়ার হাত দেখিয়ে নো বল ডেকেছে দেখলে আমারও মাথা গরম হয়ে যেত। কিন্তু আমরা আলাদা করে নজরও দিতাম এ ব্যাপারে। প্র্যাকটিসে কেউ নো বল করে আউট করলে একস্ট্র্র্রা বল করতে হতো সেই বোলারকে।'

বলা গেল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো বিশ্বমানের টুর্নামেন্টের ফাইনালে 'নো' বল করাটা তো বিরাট অপরাধ। লয়েড দ্রুত থামিয়ে দিয়ে বললেন, 'শুধু ফাইনাল বলে নয়, যে কোন ম্যাচে নো বল করলেই সেটা ক্রাইম। একটা ভুল ম্যাচ শেষ করে দিতে পারে। আজ দেখলেন তো কী হলো!' পাকিস্তানের বাঁ-হাতি ওপেনার ফখর জামান ৭ বলে ৩ রানে ছিলেন, যখন তাকে আউট করেও 'নো' বল করার জন্য উইকেটটা পেলেন না বুমরাহ। যদিও ভারতের আতঙ্ক ওই একটা 'নো' বলেই শেষ হয়নি। পাকিস্তানের ৩৩৮ তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধস নামল তারকায় ভরপুর ব্যাটিংয়েও। লয়েডের দ্বিতীয় পর্যবেক্ষণ, 'ভারত কেন টস জিতে ফিল্ডিং নিল? ফাইনালের মতো হাইপ্রেশার ম্যাচ। আগে ব্যাট করে বড় রান চাপিয়ে দিতে পারলে তো প্রতিপক্ষ ওখানেই অনেকটা চুপসে যাবে। পাকিস্তানকে উল্টে সেই সুবিধেটা নেয়ার সুযোগ করে দিল ভারত।' দ্রুত এরপর যোগ করলেন, 'আমি জানি, কোহালিরা ভালো রান তাড়া করে। পরে ব্যাট করে দুর্ধর্ষ রেকর্ড ওদের। কিন্তু ফাইনালের জন্য এটা মোটেও ভালো স্ট্র্যাটেজি নয়।' ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আরও বলেন, 'এত ভালো ব্যাটিং পিচে আগে ব্যাট করার সুযোগ নিয়ে কেউ বড় রান তুলে দেয়ার ঝুঁকিটা তো থেকেই যেত তাই না? সেই ঝুঁকিটা নেব কেন? আমি তো বরং এটাই ভাবব যে, এমন দুর্দান্ত ব্যাটিং পিচ। আমার হাতে সেরা ব্যাটিং লাইনআপ। প্রথমার্ধেই ম্যাচটা শেষ করে দিই। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, পাকিস্তান সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিল।' সর্বকালের সেরা টিম কারা, 'রেকর্ড রয়েছে সকলের হাতের সামনে। সেটাই বলবে কারা সর্বকালের সেরা। আমি শুধু একটা কথা বলতে চাই, কাউকে ছোট না করেই বলছি, আমার সময়ে কোন জিম্বাবুয়ে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলার সুযোগ ছিল না।' ওয়েবসাইট।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close