logo

orangebd logo
অন্তত আমার মতে, মোহাম্মদ রফিক এই সময়ের বাংলার অন্যতম সর্বাগ্রগণ্য কবি। বিশ শতকের ষাটের দশকের পূর্ববাংলায় এক ঝাঁক যে নতুন কবির আবির্ভাব ঘটে, তিনি তাঁদের একজন। সবাই জানেন ওই সময়ের নতুন কবিরা বিশিষ্ট ছিলেন নিজেদের ব্যতিক্রমী উচ্চকণ্ঠ নিয়ে। প্রত্যেকে নিজেকে নিজেকে জাহির করায় উন্মুখ। একইসঙ্গে তাঁরা যে প্রচলিত ধারার ব্যতিক্রম...বিস্তারিত
জীবনকে ছুঁয়ে-ছেনে পানপাত্রের তলানির স্পর্শ নিতে নিতে কবি মোহাম্মদ রফিক কি এখন আরও উজ্জীবিত, আরও দুরন্ত এক ঘোড়সওয়ার? আর সে জন্যেই তিনি কী উদাত্ত আহ্বান জাগিয়ে তোলেন তার কলমে, 'বলো, বলে দাও আমি ভালোবাসি, তুমি ভালোবাসো/ ভালোবাসা বিপ্লব বিপ্লব ভালোবাসা...বিস্তারিত
বাংলা ভাষার ষাটের দশকের শক্তিমান কবি মোহাম্মদ রফিকের এ সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ওবায়েদ আকাশ
ওবায়েদ আকাশ : আমরা কোনো ভূমিকা ছাড়াই শুরু করি। কোথাও একটা জায়গাটায় যেন একটা প্রশ্ন জাগে, সেই জায়গাটায় কথা বলতে চাই। একটি কবিতা হয়ে ওঠার ব্যাপারটি নিয়ে আপনার কথা শুনতে চাই। একটি কবিতা ঠিক কখন হয়ে ওঠে; বা আপনি কখন...বিস্তারিত
নানা চড়াই-উৎরাই পার-হওয়ার অভিজ্ঞতা ধারণ করা সত্ত্বেও মোহাম্মদ রফিকের কবিতায় সমালোচকেরা যে-ভাবে বাংলাদেশকে দেখে চলেছেন এবং থেকে সেই চোখ দিয়ে গড়পাঠকেরা যেভাবে বাংলাদেশকে খোঁজা শুরু করেছেন, তার সদর্থ-নঞর্থ দুটো দিক রয়েছে। এটা ঠিক যে সকল কবিরই জন্মদেশ থাকে, ব্যতিক্রমের কথা...বিস্তারিত
সবকিছু গোছগাছ এখন সমাপ্তবসে আছি, প্রতীক্ষায়,বাইরে দেখি, একটি রংচঙা পাখি,উড়ে গেল, ফুড়ুৎ, ফুড়ুৎ,আমি মুগ্ধ;স্ত্রী তাড়া দিচ্ছে, ওঠোযাবে না, সময় হলো,তাই তো সময়, চমকে উঠিবাস ছাড়বে যেনবা কটায়,ভুলে গেছি, টিকিট আমার হাতে;বাস ছাড়বে কোন জায়গা থেকে,কোথায় যেনবা যাব, যেতে হবে, তাইটিকিট...বিস্তারিত
বিশ্বলোকেমানসসরোবরেবুদ্বুদ এবং ধোঁয়াতবে কি আসন্ন অগ্নুৎপাতশুরু আত্মবিনাশের নান্দীপাঠসহসাই ধোঁয়ার কুন্ডলিনানান বর্ণের পাখিঅট্টহাস কলকণ্ঠঅসীম নিঃসীম শূন্যতায়!...বিস্তারিত
নারীর পতন হলে পরসে জলের কাছে যায়,উবু হয়ে পুকুর ঘাটায়;জলের ভিতরে জল ভাঙে_আঙুলের আলত স্পর্শেমুখের দু'পাশে ঢেউয়ে-ঢেউয়েভেজা স্মিত আদরে সোহাগেবলে, মেয়ে, শাব্বাশ শাব্বাশ!...বিস্তারিত
একটা মাকড়সা আমার শরীরের সব গাছপালাফুল আর ফলের নরম গোপনে বিস্তার করে জাল,জাল ও জলের ভেতর অবিরত মাঠের দুরন্ত পশুরপদচিহ্ন, প্রপাত। আমার ভয় হয় ছায়াবৃক্ষরাক্রমশ সুদূর পরাহত দূরগামী, দৃশ্যের দূরে দূরে তারক্ষতচিহ্ন। সীমানাহীন প্রান্তচিহ্ন।অবারিত মাঠের গল্পে আঙুল বাড়ালে আমিজড়িয়ে পড়ি...বিস্তারিত
যে আলোড়নের রোদ উঁকি দিল প্রৌঢ় নারীর কুঁচকানো কপালে; আমি তার দুষ্টুমির দাপটে খুলে দিই দরোজা। আমি একটি বসন্তের কোকিল দেখেছিলাম কাল রাতে; ওর স্বর-শব্দে সারারাত খোলা রেখেছি আমার বুকের বাঁ'পাশ। আরো একদিন দেখেছিলাম ভ্যানগগের রক্তাক্ত বুক। যে বুকের ভিতর...বিস্তারিত
না, শেষ হলো না আমারআলোর ও পিঠ দেখা।হলো না দেখা_আকাশি জলের নিপুণ তানপুরা শেখাহলো না দেখা ভাবনার কুসুম সুখআয়নায় খুঁজে ফিরি শুধু তোমার মুখপাগল মন সেই যে ছুটছেএখনো ছুটছেএখনো ধুঁকছেএখনো মুচছে চোখের কচকচে কণাঘুমিয়ে গেছে অকেজো সময়ের ফণাপাবলিক প্লেসে থিতু...বিস্তারিত
তোমার পাশে কার য্যানো নিবেদিত মুখ ভেসে উঠলো। তুমি তবে কার কায়ারূপ মাটিতে বানানো ফুল... নাকি বুলেট...? আর্তনাদে আমি ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাই, আমিই বিভাজিত দাহকাল কিংবা গরল আগুনের আলো। মাতাল বলে রাত কাউকে ফিরিয়ে দেয় না। তাই, নিষ্পলক অন্ধকার গিলে...বিস্তারিত
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close