logo

orangebd logo
যে পুঁজিবাদী দৈত্যের পিঠে চড়ে উন্নয়ন চলছে
আলমগীর খান

ব্রিটিশ ভারতের বিখ্যাত উপনিবেশবাদী থমাস বেবিংটন মেকলের স্বীকারেক্তিতে : 'রুপার মুদ্রায় ৮ লাখ পাউন্ড নদীপথে মুর্শিদাবাদ থেকে ফোর্ট উলিয়ামে পাঠানো হলো। এ সম্পদ যে নৌবহরে পাঠানো হয়েছিল তাতে একশ'র বেশি নৌকা ছিল।' উইলিয়াম ডিগবির হিসেবে পলাশী থেকে ওয়াটারলুর যুদ্ধ পর্যন্ত (১৭৫৭-১৮১৫) ৫০ থেকে ১০০ কোটি পাউন্ড ভারতীয় কোষাগার থেকে লুণ্ঠিত হয়। ২৩ নভেম্বর ১৭৮০ ভারত গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস অনুমান করেন যে, প্রায় ৪০ লাখ রুপি প্রতি বছর ভারত থেকে ব্রিটেনে পাচার হয়েছে। কাজী এবিএম ইকবালের গবেষণা-প্রসূত 'বাংলায় জমিদারি বিলোপ আন্দোলন' বইতে (২০১২ সালে আড়িয়াল কর্তৃক প্রকাশিত) এসব তথ্য দেয়া হয়েছে।

কিন্তু সে ছিল ব্রিটিশের উপনিবেশ আমল, বাংলার ও ভারতের পরাধীনতার কাল। বাংলার মুর্শিদাবাদ ও পরে কোলকাতা থেকে সম্পদ পাচার হয়ে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ শহর হিসেবে লল্ডন গড়ে উঠেছে। কিন্তু আজ, যখন ব্রিটিশ আর পাকিস্তান কেউই আমাদেরকে শাসন করছে না, সম্পদ-পাচার এখনও বহাল তবিয়তে চলছে কী করে? সম্প্রতি পত্রপত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমার পরিমাণ ৫ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা যা ভারতীয়দের জমার চেয়েও অনেক বেশি। তবে এও সামান্য! কেননা প্রতি বছর নাকি এদেশে থেকে প্রায় ৭৫ হাজার কোটি পাচার হয়। অথচ বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের সড়কে। ব্যাপারটা কী?

উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু মানুষের জীবনে সংকটও কমছে না। একরূপ সংকট দূর হয়ে অন্যরূপ সংকট তৈরি হচ্ছে। মোবাইল ফোনে আমেরিকা-ইংল্যান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে, কিন্তু পাশের বাড়ির লোকের সঙ্গে পরিচয় নেই, এমনকি থাকতে পারে পরস্পর সন্দেহ। বাঘ-শিয়ালের পেটে অতীতের চেয়ে কম মানুষ মরছে, কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে তারচেয়ে বেশি। সবাই কমবশি খেতে পাচ্ছে, অনেকেই পেট ভরে খাচ্ছে। তারপরও খাদ্য নিরাপত্তার অভাব, আগেও ছিল, এখনও আছে, শুধু অন্যভাবে_ আগে মানুষ তিনবেলা খেতে পেত না, এখন বেশিরভাগ মানুষ হয়তো পেট ভরে খেতে পারছে, কিন্তু পুষ্টি নেই, আছে ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান। দোকানভরা জিনিস, অনেকেই অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে সুখের বমি করছে, প্রয়োজনীয় জিনিস পাচ্ছে না আরও অনেকে। কোন জিনিসটি প্রয়োজন, আর কোনটি অপ্রয়োজন, সেটি আর ব্যক্তি তার বিচারবুদ্ধি দিয়ে নির্ণয় করতে পারছে না, পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন তা ঠিক করে দিচ্ছে। সুতরাং জানা আবশ্যক, কী এই উন্নয়নের চরিত্র, কোথায় এর গলদ।

পুঁজিবাদ এক অন্ধ দৈত্য। সর্বোচ্চ একচক্ষুওয়ালা। এ দৈত্য মানুষের অনেক উপকারে এসেছে। মানুষের অনেক কাজ করে দিয়েছে। বিশেষত ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে স্বাধীনতা ও মুক্তির স্বাদ দিয়েছে। দাসত্বের প্রত্যক্ষ শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছে শ্রমজীবী মানুষকে।

তবে দৈত্য দৈত্যই, মানুষের নিরঙ্কুশ বন্ধু নয়। এই অন্ধ দৈত্যের পিঠ থেকে নেমে পড়ার জন্য মানুষ অনেকদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, দৈত্যটির পিঠে চড়া যত সহজ হয়েছিল, নামাটা সেরকম সহজ নয়। মার্কস-এঙ্গেলসের দেখানো পথে অনেকটা সাফল্য এসেছিল। অনেক দেশ এই দৈত্যের পিঠ থেকে নেমেও পড়েছিল। কিন্তু যারা নেমে পড়েছিল তাদের অনেককে আবার দৈত্যের পিঠে সওয়ার হতে হয়েছে। কেননা উত্তপ্ত কড়াই থেকে উনুন বেশি আরামদায়ক হয়নি। তাই বলে উনুন থেকে লাফিয়ে ফের উত্তপ্ত কড়াইতে পড়লেই সুশীতল বলে কড়াইয়ের বিজয় ঘোষণা করা যায় না।

১৯৮৯ সালে বার্লিন দেয়াল ভেঙে ফেলা যদি সমাজতান্ত্রিক ব্যর্থতার বিশ্ব-প্রতীক হয়, তো আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়া পুঁজিবাদী ব্যর্থতার বিশ্ব-প্রতীক। সেবার দেয়াল ভেঙে পুঁজিবাদ তার জয় ঘোষণা করেছিল, এবার মেঙ্েিকা সীমান্তে 'অপূর্ব' দেয়াল খাড়া করার প্রতিজ্ঞা করে সে তার দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করছে। আসলে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভাঙনে পুঁজিবাদের উল্লাস খুবই ক্ষণস্থায়ী হয়েছে। পুঁজিবাদ তার আত্মার সংকট আজও নিরসন করতে পারেনি। পুঁজিবাদের কি আত্মা আছে? সন্ধান চলছে, এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পুঁজিবাদে টাকাই প্রাণ, এ প্রমাণ পুরনো সত্য।

সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় টাকা নয়, শ্রমজীবী মানুষের মন ও স্বার্থ বড়। তবু পুঁজিবাদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে সমাজতন্ত্র টিকতে পারেনি। কিন্তু টিকতে পুঁজিবাদও পারছে না। মৃত্যু যন্ত্রণায় ভুগছে সে। অবশ্য জন্মের পর থেকেই পুঁজিবাদের মৃত্যু যন্ত্রণা চলছে, তবু তার বিকাশও থেমে নেই। এজন্যেই তার আত্মার খোঁজ চলছে। আসলে দুই ব্যবস্থাকে যে রকম দুই ভিন্ন প্রজাতির মনে হয়, দেখা যাচ্ছে তারা মোটেও তা নয়। আবার তারা দুই গ্রহের বাসিন্দাও নয়। একই পৃথিবী গ্রহের ভালমন্দ নিয়ে উভয়কেই কমবেশি মাথা ঘামাতে হচ্ছে। পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের মাঝে দেয়া-নেয়াও কম হয়নি। এক ব্যবস্থা আরেক ব্যবস্থার কাছ থেকে অনেক কিছু নিয়েছে ও শিখেছে। উভয় ব্যবস্থারই শক্তি ও দুর্বলতা আছে।

যে পুঁজিবাদ সমাজতন্ত্রের কাছ থেকে যত বেশি নিয়েছে, সে এগিয়েছে বেশি। একইভাবে যে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুঁজিবাদকে একেবারে অস্পৃশ্য মনে করেনি, বরং তার থেকে কিছু গ্রহণ করেছে, তার শক্তির ঘাটতি হয়নি। অগ্রসর পুঁজিবাদী দেশসমূহে প্রচুর সমাজতান্ত্রিক উপাদান অনস্বীকার্য। তেমনি বর্তমানের বেশিরভাগ কমিউনিস্ট শাসিত দেশে পুঁজিবাদের সঙ্গে আপস করে উন্নতি চলছে। মার্কস-এঙ্গেলস ও লেনিন পুঁজিবাদের প্রগতিশীল দিকটিকে সবসময়ই জোরের সঙ্গে স্বীকার করেছেন। আবার পুঁজিবাদের যে মৌলিক অন্তর্গত সংকট সে কথা পুঁজিবাদী অর্থনীতিবিদরাও অস্বীকার করতে পারেন না।

১৫০ বছর আগে কার্ল মার্কস 'দাস ক্যাপিটাল' লিখে পুঁজিবাদের মৃত্যুঘণ্টা বাজানোর পর, তার অবস্থা অনেকদিন ধরে নাজুক ছিল। কিন্তু তারপর হঠাৎ সে আবার পুরো ফর্মে খেলায় ফিরল। তবু এখন ফরাসি অর্থনীতিবিদ থমাস পিকেতি 'একবিংশ শতাব্দীতে পুঁজিবাদ' লিখে ব্যবস্থাটির চিরন্তন অসুস্থতার কথাটাই জানান দিলেন। পুঁজিবাদের সংকটের মূল হচ্ছে সর্বসাধারণের সম্পদ লুণ্ঠন করে গুটিকয় মানুষের হাতে কুক্ষিগত করা। সমাজতন্ত্রের সংকটের মূল সর্বসাধারণের মধ্য থেকে গুটিকয়ের জন্মটি রোধ করতে না পারা। জর্জ অরওয়েল যাকে এনিম্যাল ফার্মে অসামান্য ভাষায় বলেছেন, 'সবাই সমান, তবে কেউ কেউ অন্যদের চেয়ে বেশি সমান।' সর্বসাধারণের চেয়ে কারো কারো এই বেশি সমান হওয়া ঠেকানোর কোন কৌশল এখনও সমাজতন্ত্রে আবিষ্কার হয়নি।

সব দেশের সমাজতন্ত্র একরূপ নয়, একরূপ নয় পুঁজিবাদও। আদিম পুঁজিবাদ ও আধুনিক ইউরোপিয়ান পুঁজিবাদে পার্থক্য আছে। আবার এশিয়ান ও মার্কিন পুঁজিবাদও একরকম নয়। জাপান ও বাংলাদেশ অনুসৃত পুঁজিবাদেও বিস্তর পার্থক্য। যদিও আবার সব রসুনের গোড়া এক। এসব পার্থক্যের কারণ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক শিকড়ে নিহিত। কোন পুঁজিবাদী ব্যবস্থা কতটা সমাজতান্ত্রিক উপাদান আত্মস্থ করেছে তা এসব কারণের ওপর নির্ভর করে আবার সেটিও পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করে।

উইলিয়াম গ্রেইডার তার 'পুঁজিবাদের আত্মা' (২০০৪) বইতে লিখেছেন যে, মাত্র তিন-চার দশক আগেও আমেরিকানরা যেসব ঘরে বাস করত তাতে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা ছিল না। বেশিরভাগ পরিবারই ভাড়া বাসায় থাকত, নিজের বাড়ি ছিল না। জীবন সহজ-সরল ছিল ঠিক, তবে সংক্ষিপ্ত ছিল। গ্রেইডার লিখেছেন, '১৯০০ সালে যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করেছে তাদের অর্ধেক ৪০ বছর বয়সের মধ্যে মারা গেছে। এখন ৯৫ শতাংশ শিশু ৪০ বছর ও অর্ধেক ৭৯ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচে।' এই চোখ-ধাঁধানো মার্কিন উন্নতির পেছনে মূল কারণ সরকারের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা। তিনি লিখেছেন, 'ব্যক্তির নয়, সরকারি উদ্যোগে পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে যা সাধারণ রোগবালাই দূর করেছে ও মানুষের আয়ু বাড়িয়েছে। সরকার রাস্তাঘাট ও স্কুল নির্মাণ করেছে এবং প্রযুক্তির উন্নয়নে অর্থায়ন করেছে।'

সমাজতান্ত্রিক দেশও যারা কিছু পুঁজিবাদী উপাদান গ্রহণ করেছে তারা সফলতার মুখ দেখেছে। চীন তাই এখন কমিউনিস্ট শাসিত একটি সফল পুঁজিবাদী দেশ। চীনা পুঁজিবাদ অন্য পুঁজিবাদ থেকে ভিন্ন, তাই মার্কিনীদের পক্ষে বোঝা কঠিন। একইভাবে কিছু পুঁজিবাদী দেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক দেশের কাছাকাছি। গ্রেইডার লিখেছেন, "একইভাবে জাপান তার আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার একটা স্বতন্ত্র কাঠামো তৈরি করেছে যা বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠান উভয়কে মানুষের জীবনে যা ঘটছে তার এবং সমাজের অনার্থিক উপকরণগুলো সুরক্ষার প্রতি দায়িত্বশীল করে রাখে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাই গোমড়ামুখে খোঁচা মেরে বলে, জাপান এখন 'একমাত্র সফল সমাজতান্ত্রিক দেশ'।"

"'পুঁজিবাদের আত্মা' বইয়ে একই শিরোনামাঙ্কিত অধ্যায়ে গ্রেইডার অমর্ত্য সেনের 'ডেভেলপমেন্ট অ্যাজ ফ্রিডম' বইয়ের উল্লেখ করেছেন যেখানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেছেন, 'পুঁজির ব্যক্তি মালিকানার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শুদ্ধ মুনাফা আহরণের একটা ব্যবস্থা হিসেবে পুঁজিবাদকে দেখলে অনেক কিছু বাদ পড়ে যাবে। কেননা অনেক দিক থেকে এই ব্যবস্থা সম্পদ ও আয় বাড়াতে সফল।" গ্রেইডার বলছেন, "অমর্ত্যের মতে পুঁজিবাদকে আরও পরিবর্তিত হতে হবে যাতে বিরাট ও ক্রমবর্ধমান অসাম্য ও পরিবেশ সংকট মোকাবিলা করা যায়, যাতে সর্বসাধারণের মালিকানাধীন গণসম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ শেখা যায়।"

পুঁজিবাদের একচোখা দৈত্যটিকে সঠিক হুকুম দিয়ে কাজ করাতে পারলে এখনও গণসম্পদের অপব্যবহার রোধ করে উন্নয়ন সোজা করা যায়। সর্বসাধারণের সম্পদ ব্যবহার করেই ব্যক্তি পুঁজি অর্জিত হয়, তাই উৎপাদিত সম্পদে সর্বসাধারণের ভাগ থাকতে হবে_ একথা এখন অনেক পুঁজিবাদীকেও মন থেকে না হলেও অন্তত মুখে মানতে হয়। পুঁজিবাদের আত্মাকে না মেরেও এর অনেকখানি অর্জন সম্ভব। দেখা যাচ্ছে পুঁজিবাদ নামক দৈত্যের মানুষের জন্য করার কাজ এখনো ফুরিয়ে যায়নি। দৈত্যটিকে বাগে আনতে পারলে তাকে দিয়ে আরও অনেক ভালো কাজ করিয়ে নেয়া যায়। এ বাগে আনাটাই সবচেয়ে কঠিন আর সে চেষ্টাই উন্নত পুঁজিবাদী দেশগুলোয় চলছে।

বাংলাদেশ যে পুঁজিবাদের দৈত্যের পিঠে তা পুরোপুরি অন্ধ। তা শুধু সর্বসাধারণের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদকে ব্যবহারই করছে না, রীতিমতো চুরি ও লুণ্ঠন করছে। আমাদের উন্নয়ন সড়কের এটাই খানাখন্দ। এ উন্নয়ন সড়ক বেশ অাঁকাবাঁকা ও এবড়োখেবড়ো। এ সড়ক যে কোনদিকে উঠছে বা নামছে তা ভেবে রীতিমতো সন্ত্রস্ত হতে হয় যখন সম্পদ-পাচারের ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। আমাদের উন্নয়নযাত্রাকে নিরাপদ, টেকসই ও সবার জন্য কল্যাণকর করতে হলে গুটিকয়েক অনৈতিক লুটেরা লোভকে প্রতিস্থাপন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, উন্নয়ন ব্যক্তিগত হয় না, এটি এক সামগ্রিক সামাজিক অভিজ্ঞতা। তা সে পুঁজিবাদের পথেই হোক আর সমাজতন্ত্রের পথেই হোক, অবশ্যই ন্যায়সঙ্গত হতে হবে।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close