logo

ঢাকা, শুক্রবার ৫ ফাল্গুন, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

orangebd logo
মমতা-মাদক, মন্দির এবং মগজ
রহিম আবদুর রহিম

১০ ফেব্রুয়ারি, একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতায় দুটি সংবাদ শিরোনামের মধ্যে একটি ছিল, 'বেড়েছে কিশোর অপরাধ বদলেছে ধরন' অন্যটি 'দেশে পঞ্চাশ লাখ মাদকাসক্ত সিংহভাগই শিক্ষার্থী।' ওইদিনই অন্য আরও একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম ছিল, 'সমাজে গণশাসন কমেছে, বেড়েছে কিশোর অপরাধ।' একই পত্রিকার পরের দিনের অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি প্রথম পাতায় প্রকাশিত সিঙ্গেল কলামের একটি শিরোনাম ছিল, ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া, পাঁচ দিনে গুলি ও কুপিয়ে ৫ ছিনতাই, জড়িয়ে পড়েছে শিশু কিশোর, সহযোগী বাস-ট্রাক হেলপার, নিয়ন্ত্রণে পাড়া-মহল্লার বড় ভাইরা। দুই দিনের চার শিরোনাম নিয়ে আলোচনার পূর্বে সম্প্রতি ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু লিখছি। গত- ১৮ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতে ছিলাম। উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক নাট্য উৎসবে অংশগ্রহণ। ১৪ সদস্যের একটি শিশু নাট্যদল নিয়ে প্রায় ১৩ দিনের ভ্রমণ। কোচবিহার, মেখলিগঞ্জ, হলদিবাড়ি, নিউজলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ঝাঁড়খ-, বিহার কোলকাতাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যাওয়া হয়েছে। কথা হয়েছে, ওই সব অঞ্চলের খেটে খাওয়া জনমানুষ, গাড়ির ড্রাইভার, ট্রেন যাত্রী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নানাজনের সঙ্গে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক; দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনাকে ভারতের সাধারণ জনমানুষ সাধুবাদ জানালেন।

ঘনঘন মন্দির ভাঙচুর, বস্নগার খুন, পুরোহিত হত্যা, এগুলো কিসের আলামত, কেন হচ্ছে, কারা করছে? এ ধরনের প্রশ্ন বাক্যে বারবার আহত হয়েছি। মহা বিব্রত অবস্থার মধ্যে পড়েছিল শিশু কিশোর নাট্যকর্মীরা। আনন্দ করতে গিয়ে, ওরা যেন মহা বেকায়দায় পড়েছে এমনটি ফুটে উঠেছে ওদের মুখম-লে। ভারতের সাধারণ জনমানুষরা মনে করেন, বাংলাদেশের মুসলিম মানেই হিন্দুদের মন্দির ভাঙা, বস্নগার খুন, পুরোহিত হত্যার জন্য জন্মগ্রহণ করেছে। নানা আলোচনার মাঝে আমরা তাদের কিছুটা ধারণা দিতে পেরেছি এই বলে যে, হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নয়। সব ধর্মে সর্বকালেই যেমন শয়তানের আবির্ভাব ঘটেছে, তেমনি মহামানব কিংবা মহা মণীষীদেরও জন্ম হয়েছে। যার ভূরিভূরি দৃষ্টান্ত আমার শিশু নাট্যকর্মীরা উপস্থাপন করতে পেরেছে। ভারতের সাধারণ মানুষ যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, তা তাদের আক্রাশ বা আক্রমণ যে নয়, তা বুঝতে পেরেছি তাদের আবেগ অনুযোগের মধ্য থেকে। ভারত অবস্থানকালে গিয়েছিলাম নব্য ভারতীয়দের আবাসভূমিতে। কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি কৃষিফার্ম এলাকায় বসবাস করছেন, সদ্য বিলুপ্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরের ভারতের ছিটমহলের ৯৬টি পরিবারের ৪৮৪ জন অধিবাসী। যারা একসময় পঞ্চগড় জেলার বোদা, দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ছিটমহলের অধিবাসী ছিলেন, তাদের সঙ্গে দেখা হয়েছে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে। এবার দেখা হয়েছে নিতান্তই মন এবং প্রাণের টানে। তারা কেমন আছেন, কি করছেন? কিভাবে চলছেন, ইত্যাকার বিষয় নিয়ে কথা বলেছি তাদের সঙ্গে। কেমন আছেন? এমন প্রশ্নের জবাবেই সবাই উত্তর দিলেন, 'ভালো আছি, মন কাঁদে, যেখানে ছিলাম, যাদের সঙ্গে ছিলাম, তাদের জন্য, যেতে ইচ্ছা করে, জন্মভূমি-জন্মস্থানে, পাসপোর্ট ভিসা করতেও পারব না, যেতেও পারব না, আপনারা যখন ভারত আসবেন, আমাদের দেখে যাবেন।' অশ্রুজল গড়িয়ে পড়ছে এই নব্য ভারতীয়দের। পাসপোর্ট ভিসার কি জটিলতা? জানতে চাইলে তারা জানান, 'পাসপোর্ট করতে কোচবিহার জেলা সদরে যেতে হবে, দূরত্ব এখান থেকে ৮৫ কিলোমিটার।' বললাম যেতে তো হবেই, পাসপোর্ট তো বাড়ি বাড়ি এসে কোন দেশের সরকারই দিয়ে যাবেন না। এবার তারা বললেন 'পাসপোর্ট না হয় কোচবিহার গিয়ে করলাম, ভিসা পেতে যেতে হবে কলকাতা, যার দূরত্ব ৬শ' কিলোমিটার। আমরা গরিব লোক, নুন আনতে পানতা ফুরায়, কলকাতা যাবার সাধ্য কোথায়?' বিষয়টি যৌক্তিক! এক্ষেত্রে ভারত এবং বাংলাদেশ সরকার কমপক্ষে দুই অথবা তিন বছর মেয়াদি নব্য ভারতীয়দের জন্য ট্রাভেল পাসের ব্যবস্থা করতে পারেন, তবে আস্তে আস্তে এক সময় তাদের স্থান পরিবর্তনের আবেগ, ভালোবাসায় স্থায়িত্ব এসে যাবে। যে দুটো দেশ 'বাংলাদেশ-ভারত' পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল মানবিক সমস্যা ছিটমহল বিনিময় করে ৫৫ হাজার মানুষের রাষ্ট্রীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। যারা আজ বিশ্ব মানবতার মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিদার। সেই দু'দেশের সরকারের কাছে এই মানুষগুলোর শেষ দাবি মেটানো অবশ্যই সম্ভব।

নব্য ভারতীয়দের সুখ-দুঃখের আলাপ শেষে '৫২র ভাষা আন্দোলন, '৭১র মুক্তির যুদ্ধ, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, ৭৪'র মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি, ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ড. মনমোহন সিংহের প্রটোকল এবং ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ছিটমহল বিনিময় নিয়ে নির্মিত 'বিশ্ব মানবতা জেগে ওঠো, রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধ করো' সেস্নাগানের নাটক 'কবির' মঞ্চায়ন শেষে আমরা যখন হলদিবাড়ি, নিউ জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়িসহ ওই অঞ্চলের বিভিন্ন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলি। তখন, মমতা ব্যানার্জির দুর্নীতি, কেন্দ্রীয় সরকার নরেন্দ্র মোদিবিরোধী কর্মকা-ে 'মমতা-ফিরিস্তি' জানতে বাকি থাকলো না। মমতা ব্যনার্জির চেলা চামুন্ডারা দুই হাতে লুটপাট করছে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ। দখল করছে জায়গা-জমি। স্কুল-কলেজে রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছড়িয়ে অস্থির করে তুলেছে পরিবেশ। নরেন্দ্র মোদির 'নোটবন্দি' পদ্ধতিতে পড়ে কালো টাকার মালিক মমতা ব্যানার্জির আতি-পাতিরা নাকি পথে বসেছে। নরেন্দ্র মোদির নোটবন্দীতে বাক-বাকুম অবস্থায় সাধারণ মানুষ। নাখোশ ব্যবসায়ীরা। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে নির্ধারিত টাকার বেশি উত্তোলন করতে পারছে না ব্যবসায়ীরা। এতে করে ব্যবসা বাণিজ্য লাটে উঠতে বসেছে। মমতা ব্যানার্জির দাপটে পশ্চিমবঙ্গের সিভিল এবং পুলিশ প্রশাসনও ঝুঁকে পড়েছে ঘুষ দুর্নীতিতে। যার অকাট্য প্রমাণ স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস সেক্টর। ঘুষ দুর্নীতি কাকে বলে? কত প্রকার? তা বুঝতে পারছে ভারত ভ্রমণকারী বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা। এত গেল লেখার প্রারম্ভ। এবার মূল আলোচনায় আসছি।

লেখার শুরুতে পত্রিকার চারটি শিরোনাম উল্লেখ করেছি। তার প্রথমটি 'বেড়েছে কিশোর অপরাধ, বদলেছে ধরন।' শিরোনামের সংবাদে প্রতিবেদক বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে উল্লেখ করেছেন, আগের প্রজন্মের শিশু বা কিশোররা খেলাধুলা করতে মাঠে গিয়ে মারামারি করত। সেখানেও রক্তাক্ত কা- যে ঘটত যে তা নয়। বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোররা খেলার মাঠে যায় না। ঘরের মধ্যে বসে বা দোকানে গিয়ে ভিডিও গেম খেলে। কম্পিউটার বা নোটবুক নিয়ে সারাদিন ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি করে। ফলে তাদের মধ্যে সহনশীলতা একেবারেই কমে যাচ্ছে। অল্প বয়সে তারা হিংস্র হয়ে উঠছে। এ কথাগুলো বিশ্লেষকদের। বাস্তবতায়, শিশু কিশোররা অপরাধী হওয়ার মূলে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা, সার্টিফিকেটধারী তথাকথিত উচ্চশিক্ষিত অভিভাবক, জিপিএ পাঁচ পাওয়ার অসভ্য প্রতিযোগিতা, শিক্ষা ব্যবসায়ী শিক্ষক মহল। কোন এক সময় ছিল, যেসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মানেই নির্মল আনন্দের পরিচ্ছন্ন জায়গা। খেলাধুলা, অভিনয়, নাটক, আবৃত্তি, গ্রামীণ পরিবেশ, সামাজিক বন্ধন, ছাত্র-শিক্ষকদের মধুর সম্পর্কের আবাসভূমি। এখন এ সব কর্মকা- তিরোহিত, চলছে আজব কর্মকা-। একজন শিক্ষার্থী সকালের কাঁচা ঘুম ভেঙে দৌড়াচ্ছে প্রাইভেটে, প্রাইভেট শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, ছুটির পর পরই বিশেষ ক্লাস নামের কোচিংয়ে, সন্ধ্যার পরে ঘরে গৃহশিক্ষক। নেই শিক্ষার্থীর স্বাধীনতা, অংশগ্রহণের সুযোগ, গভীর রাতে লেপের নিচে অথবা মশারি ঢেকে চালাচ্ছে মোবাইল, ফেসবুক, ঘাটছে ইন্টারনেটের নেগেটিভ, পজেটিভ বাহারি কর্মকা-। এই শিশুরা হিংস্র হবে না তো কি হবে? কিশোর অপরাধের জন্য কেউ কেউ তথ্যপ্রযুক্তিকে দায়ী করছেন। তবে, শিশুদের সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করতে না পারার মূলে যে, বাবা-মা, শিক্ষক এবং প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ দায়ী এ কথা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

অন্য শিরোনামটি দেশে ৫০ লাখ মাদকাসক্ত সিংহভাগই শিক্ষার্থী। এই শিরোনামের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে বর্তমান মাদকাসক্তের সংখ্যা ৫০ লাখ। এর মধ্যে সিংহভাগই শিক্ষার্থী। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সম্প্রতি এক জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে মাদক প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে সারাদেশে ২৪ হাজার ২৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নেতৃত্বে ধর্মীয় শিক্ষককে সদস্য সচিব করে গঠিত ৫ সদস্যের এই কমিটিতে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরাও রয়েছে।' সুন্দর জরিপ, গ্রহণযোগ্য মাদক প্রতিরোধ কমিটি। এই কমিটি মাদক প্রতিরোধে নূ্যনতম ভূমিকা পালন করতে পারবে না বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। শিশুরা নীতিকথা, উপদেশ, বক্তব্য শুনতে চায় না ওরা বাস্তব এবং আনন্দদায়ক বিষয় গ্রহণ করতে অভ্যস্ত। গত ২৮ জানুয়ারি কলকাতার বিখ্যাত একটি শিশু সংগঠনের একটি ক্লাস নেয়ার সুযোগ হয়েছিল। এই ক্লাসেই এক শিশুর অভিভাবককে জিজ্ঞেস করেছিলাম; ভারতে খোলামেলা মদ পান করে, এখানে শিশু কিশোরদের কিভাবে ভালো রাখেন? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন 'আমি যদি বোঝাতে পারি, কোনটা ভালো আর কোনটা খারাপ, তবে কখনো আমার সন্তান মদ নেবে না। আর এই বোঝানোর পদ্ধতি হতে হবে আনন্দ দায়ক এবং বাস্তবভিত্তিক।' অথচ আমাদের একটা কিছু করতে হচ্ছে বলেই, দায়িত্বশীলরা সরকারের অর্থ আর সময় অপচয়ের ম্যারাথন একটি কমিটি উপহার দিয়েছেন। মাদক প্রতিরোধে সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করণে ক্রীড়া, সংস্কৃতি, ক্রিয়েটিভ কর্মকা-, নাটক, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, গ্রুপ স্টাডির বিকল্প নেই। গত দু'তিন বছর আগে জাতীয় এবং দেশের বিভিন্ন দিবস উদযাপনে জেলায় জেলায় অনুষ্ঠিত সরকারি সব প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের জন্য জেলা প্রশাসন বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ কর্মকা- পরিচালনা করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম বিতর্ক, জ্ঞান-জিজ্ঞাসা, পুরস্কার বিতরণ দিবসে উপস্থিত বক্তৃতা, সুর সঙ্গীতের সঙ্গে সঙ্গে নাটক ইত্যাদি। ওই সময় শিক্ষার্থীদের নেশা গ্রহণের সংবাদ তেমনটা পাওয়া যায়নি। এখন জেলা পর্যায়ে সব অনুষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক ক্রিয়েটিভ পর্ব হারিয়ে গেছে। দায়িত্বশীল সেবকরা যদি দায়সারা কিংবা কিংবা লোভী হয়, সমাজ রক্ষা তখন কঠিন হয়ে পড়ে। সার্বিক বিবেচনায় দায়িত্বশীল সেবকদের জাগিয়ে তোলা সরকারের জরুরি হয়ে পড়েছে। তৃতীয় শিরোনামের সংবাদে বলা হয়েছে, 'সমাজে গণশাসন কমেছে, বেড়েছে কিশোর অপরাধ।' এই শিরোনামের বিশ্লেষণে বলা যায়, গণশাসন যদি গণপিটুনি কিংবা গণ-অপরাধ হয় তবে এই শাসনের দরকার নেই। এক্ষেত্রে মা বাবা অতি সোহাগ যাতে সন্তানের ভবিষ্যৎ কলঙ্কিত না করে সেদিকে নজর দেয়াই শ্রেয়। শেষ শিরোনামের সংবাদটি 'ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া, পাঁচ দিনে গুলি ও কুপিয়ে ৫ ছিনতাই, জড়িয়ে পড়েছে শিশু-কিশোর, সহযোগী বাস ট্রাক হেলপার, নিয়ন্ত্রণে পাড়া মহল্লার বড় ভাইরা।' এ ধরনের ঘটনাগুলো পুরোপুরি সামাজিক অপরাধ, যা ঠেকাতে পুলিশ প্রশাসন এবং রাজনৈতিক মন্ত্র-তন্ত্রই যথেষ্ট না সামাজিক এবং পারিবারিক প্রতিরোধও প্রয়োজন।

[লেখক : শিক্ষক ও কলামিস্ট]

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.