logo

orangebd logo
টাঙ্গাইলে
ব্যাংক কর্মকর্তাকে মামলার ভয় দেখিয়ে এসআইয়ের টাকা আদায়ের অভিযোগ
জেলা বার্তা পরিবেশক, টাঙ্গাইল

হত্যা মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার এসআই হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে এক সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কাজী আজিজুর রহমান (আনু মিয়া) নামের ওই সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে সাদা কাগজে নাম-স্বাক্ষর রেখেছেন ওই দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তা। এ ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পরপরই পুরো জেলায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। জেলার সচেতন জনগণ এবং খোদ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করেছেন। জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইল পৌর শহরের মীরের বেতকা এলাকার কাজী আজিজুর রহমান (আনু মিয়া) তার প্রবাসী ছেলেদের পাঠানো ইউএস ডলার ভাঙাতে গত সোমবার দুপুরে সোনালী ব্যাংক টাঙ্গাইল প্রধান শাখায় যান। এ সময় এসআই হারুন অর রশিদ এবং একজন কনস্টেবল ব্যাংকের ভিতর প্রবেশ করে কাজী আজিজুর রহমানকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। পরে দুই লাখ টাকা আদায় করে একটি সাদা কাগজে নাম-স্বাক্ষর রেখে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেন।

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা কাজী আজিজুর রহমান (আনু মিয়া) সাংবাদিকদের জানান, তাকে থানায় নিয়ে এসআই হারুন একটি বদ্ধ ঘরে আটকে রাখেন এবং হত্যা মামলায় আসামি করার ভয় দেখায়। পরে শহরের আমঘাট রোডের এক টেলিভিশন ব্যবসায়ীর মধ্যস্থতায় দুই লাখ টাকা নিয়ে ঐদিনই গভীর রাতে ছেড়ে দেন। আটক রেখে এসআই হারুন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আজিজুর রহমানের কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে নাম-স্বাক্ষর রাখেন। তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে ওই এসআই হারুন। একথা কাউকে বললে হত্যা মামলায় ফেলে জেলহাজতে ভরে রাখবে বলেও হুমকি দিয়েছেন। তিনি আক্ষেপ করে সাংবাদিকদের বলেন, 'আমার টাকা গেছে যাক, বুড়ো বয়সে মিথ্যা মামলায় আর জেল খাটতে চাই না'।

স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি করেন, টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার এসআই হারুন অর রশিদ পুলিশের লেবাসে একজন জঘন্য চাঁদাবাজ। নানা ফন্দি-ফিকিরে তিনি সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে টাকা আদায় করে থাকেন। থানার ওসির সঙ্গে বিশেষ সখ্যতা থাকায় তিনি বার বার এ ধরনের অঘটন ঘটিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন। এসআই হারুনের এইসব অপকর্মে সদর থানার অন্যান্য কর্মকর্তারাও বিরক্ত হয়ে উঠেছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সদর মডেল থানার এসআই হারুন অর রশিদ বলেন, সাংবাদিক আর পুলিশ ভাই ভাই। ঘটনা যা রটে, তার কিছু না কিছু তো বটেই। আমি আপনাদের সঙ্গে পরে কথা বলবো। আমার বিরুদ্ধে অন্যসব অভিযোগের সবই ভুয়া। আমি অর্পিত দায়িত্ব পালনে সব সময় সচেষ্ট থাকি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ওসি নাজমুল হক ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, সন্দেহমূলকভাবে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আজিজুর রহমানকে আটক করা হয়েছিল। পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে, টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করেন ওসি।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close