logo

orangebd logo
ঢাকার জলাবদ্ধতা
পরিকল্পনাই সার কর্মসূচি নেই উদ্যোগও নেই
মাহমুদ আকাশ

রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক পরিকল্পনা নেয়া হলেও বাস্তবায়নে কোন কর্মসূচি নেই। কারণ জলাবদ্ধতা দূর করতে প্রতিটি পরিকল্পনায় রাজধানীর চারদিকে নদী, খাল ও জলাধার সংরক্ষণ করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু ঢাকায় কতটি খাল ছিল এবং বর্তমানে আছে এর সঠিক পরিসংখ্যান সরকারি কোন সংস্থার কাছে নেই। একেক সংস্থা একেক রকম তথ্য দিচ্ছে। কেউ বলছে ৫১টি, কেউ বলছে ৪৬টি কেউ বলছে ৩২টি খাল। অথচ ঢাকা ওয়াসা ১৮টি খাল খননে পরিকল্পনা নেয়ার কথা বলা হলেও ১৮টি খালের কোন তালিকা এখনও তৈরি করা হয়নি। এখন পর্যন্ত প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরি করা হয়নি বলে সংস্থারটির সূত্র জানায়। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে রাজধীন ৩০০ ফিট সড়কের পাশ দিয়ে কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত খাল খননের কাজ শুরু করা হলেও এর কোন পরিকল্পনা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক)'র কাছে ছিল না বলে সংস্থাটির সূত্র জানায়। তাই রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি মন্ত্রীরা একেক সময় একেক কথা বললেও বাস্তবে সরকারিভাবে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বয়ের অভাবে রাজধানীর চারদিকের নদী ও খালগুলো রক্ষায় কোন পরিকল্পনায় কাজ হচ্ছে না বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। এর জন্য ঢাকা মহানগরীর জন্য একক কর্তৃপক্ষ বা নগর সরকার প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেন তারা।

এ বিষয়ে বুয়েটের অধ্যাপক মো. সামছুল হক সংবাদকে বলেন, রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এ সমস্যা দিন দিন আরও প্রকট হবে। কারণ আমাদের ঢাকা মহানগরী একক কোন সংস্থার

অধীনে নয়। মহানগরীর সমস্যা সমাধানে ৩২-৫৬টি অধিশাখা কাজ করে। তাই এতগুলো সংস্থার সাথে সমন্বয় করে কাজ করা কঠিন। তাই জলবদ্ধতা, যানজট নিরসন ও নগরায়ন নিয়ে একাধিক পরিকল্পনা নেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এটা অনেক আগ থেকেই হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে একটি নগরী জন্য দরকার একটি একক সরকার বা নগর সরকার। যতদিন এই এটা করা হবে না এই সমস্যা থেকেই যাবে। এর দায় দায়িত্ব কেউ নেবে না। সিটি করপোরেশন বলবে ওয়াসার দায়িত্ব আর ওয়াসা বলবে ঢাকা জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব। একটি আধুনিক নগরায়নের জন্য দরকার নগর সরকার। বর্তমানে নগর সমস্যা এমন পর্যায় চলে গেছে এটা সমাধানে স্বল্পমেয়াদি কোন পরিকল্পনায় কাজ হবে না।

জানা গেছে, রাজধানীর জলাবদ্ধতা, যানজট ও নগর উন্নয়নে একাধিক পরিকল্পনা নেয়া হলেও কোন পরিকল্পনায় বাস্তবায়ন হয়নি। তাই দিন দিন এই সমস্যাগুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরগুলো ছড়িয়ে পড়ছে। এই সমস্যা সমাধানে প্রায় একশ বছর আগে 'ঢাকা টাউন প্ল্যান' একটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল। ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার আমলে নগর-পরিকল্পনাবিদ স্যার প্যাট্রিক গেডিস এই পরিকল্পনাটি তৈরি করেছিলেন। ওই পরিকল্পনায়ও ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে বৃষ্টির পানি যেন প্রবাহিত হয়ে চলে যেতে পারে, সেজন্য নদী, খাল ও জলাধারগুলোকে সংস্কার ও সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছিল। এরপর ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (ডিআইটি) ও ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যানসহ (ড্যাপ) একাধিক মহাপরিকল্পনায় নদী ও খালগুলো সংরক্ষণের প্ল্যান নেয়া হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। এর ফলে দিন দিন ঢাকার চারদিকে খাল ও নদীগুলো হারিয়ে গেছে। তাই ঢাকায় কতটি খাল ছিল এবং বর্তমানে কতটি আছে এর সঠিক পরিসংখ্যান সরকারি কোন সংস্থার কাছে নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এক পরিসংখ্যায় জানা গেছে, ঢাকা মহানগরীতে বিদ্যমান খালের সংখ্যা ৪৩টি। এর মধ্যে ২৬টি ঢাকা ওয়াসা রক্ষণাবেক্ষণ করে। এছাড়া রাস্তা, বঙ্ কালভার্ট, ব্রিক সুয়্যার লাইনের মাধ্যমে বিকল্পভাবে পানি নিষ্কাশন করা ৯টি খাল দিয়ে ও ঢাকা জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ৮টি খাল। অথচ ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ততথ্য মতে ঢাকা মহানগরীতে ৪০টি খাল রয়েছে। এদিকে রাজধানী ঢাকার আশপাশে মানচিত্র অনুযায়ী ৫১টি খালের অস্থিত্ব পাওয়া যায়। রাজউক, সিটি করপোরেশনের মতে এ সংখ্যা ৪৬টি। ওয়াসার নথিতে ২৬টি খালের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। বাকি সব খাল বিলীন। তবে প্রাকৃতিক কারণে এই বিলীনের ঘটনা ঘটেনি। রাজউক থেকে বেআইনি অনুমোদনপত্র নিয়ে খাল ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে অট্টালিকা। ফলে ভারী বা হালকা কিংবা মাঝারি যে ধরনের বৃষ্টিই হোক না কেন সে পানি আর নিষ্কাশন হতে পারছে না বলে জানিয়েছেন অভ্যন্তরীণ নৌ-কর্তৃপক্ষ (বিআইডবিস্নউটিএ)'র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগরীর উত্তরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমাংশ হয়ে মাহবুব মোরশেদ সরণী দিয়ে প্রবাহিত কল্যাণপুর 'চ' খাল। কাগজে বা মানচিত্রে এ খালের দৈর্ঘ্য এক হাজার ১২০ মিটার। প্রস্থ ১৮ মিটার। দৃশ্যমান মাত্র ৭ মিটার। খালটি দখল করে অবৈধ স্থাপনা করা হয়েছে ৬৫০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে। পুরো খালের পানির ওপর ময়লা-আবর্জনার স্তর। তাই পানি প্রবাহ বন্ধ। ফলে বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

ডিএনসিসি'র প্রতিবেদনে ঢাকা মহানগরীর খালগুলো বর্তমান দৈর্ঘ্য-প্রস্থ উল্লেখ করা হয়, এর মধ্যে রাজধানীর খিলগাঁও রেলগেট ফ্লাইওভার সংলগ্ন ফার্নিচার দোকানগুলোর সামনে দিয়ে ছিল খিলগাঁও-বাসাবো খাল। এ খালটি খিলগাঁওয়ের ভেতর দিয়ে বাসাবো হয়ে খালের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ওয়াসার নথিপত্রে খালটির প্রস্থ স্থানভেদে ৫-১০ মিটার। এছাড়া রাজধানীর ধানমন্ডি সার্কেলে রামচন্দ্রপুর খাল ১০০ ফুটের জায়গায় ৬০ ফুট, মহাখালী খাল ৬০ ফুটের জায়গায় ৩০ ফুট, মোহাম্মদপুর সার্কেলে সাংবাদিক খাল বা প্যারিস খাল ২০ ফুটের স্থলে স্থলে ১০-১২ ফুট, বাইশটেকি খাল ৩০ ফুটের স্থলে আছে ১৮-২০ ফুট, মিরপুর সার্কেলে বাউনিয়া খাল ৬০ ফুটের স্থলে আছে ৩৫-৪০ ফুট, দ্বিগুণ খাল ২০০ ফুটের স্থলে আছে ১৭০ ফুট, আবদুল্লাহপুর খাল ১০০ ফুটের স্থলে আছে ৬৫ ফুট, মোহাম্মদপুর সার্কেলে কল্যাণপুর প্রধান খাল ১২০ ফুটের স্থলে স্থানভেদে আছে ৬০ থেকে ৭০ ফুট, কল্যাণপুর 'ক' খালের বিশাল অংশ এখন সরু ড্রেন, রূপনগর খাল ৬০ ফুটের স্থলে আছে ২৫ থেকে ৩০ ফুট, ধানমন্ডি সার্কেল কাটাসুর খাল ২০ মিটারের স্থলে আছে ১৪ মিটার, ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল ইব্রাহিমপুর খালের কচুক্ষেত সংলগ্ন মাঝামাঝি স্থানে ৩০ ফুটের স্থলে আছে ১৮ ফুট। এসব খালের অধিকাংশ স্থানে প্রভাবশালীরা দখল করে বহুতল ভবন, দোকানপাট ও ময়লা অবর্জনায় ভরাট করে রেখেছে। ফলে খালে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় বিলীন হয়ে গেছে অস্তিত্ব।

এছাড়া ধানমন্ডির এলাকায় রামচন্দ্রপুর খালটি নবোদয় প্রধান সড়কের ৮নং রোড থেকে শুরু হয়েছে। খালটির এ অংশ থেকে ৬০০ মিটার পর ওয়াসা পাম্প সংলগ্ন অংশে অবৈধ বহুতল স্থাপনা নির্মাণ ও ময়লা আবর্জনার স্তূপ জমে আছে। এ খাল পাড়ের ৩০ ফুট জায়গা ভরাট করে রাস্তা তৈরি করেছে সিটি করপোরেশন। এছাড়া নবোদয় প্রধান সড়কের ১০ নাম্বার রোডে সুনিবিড় হাউজিং বিশাল অংশ দখল করে স্থাপনা তৈরি করেছে।

ডিএনসিসির ৩৩ ও ৩৪নং ওয়ার্ডের বিশাল অংশজুড়ে কাটাসুর খালের অবস্থান। এ খালটির দৈর্ঘ্য এক হাজার ৭১৫ মিটার। বর্তমানে খালের শুরুর অংশে ১৪ মিটার এবং শেষাংশে ২০ মিটার প্রস্থ রয়েছে। ১৫০ বর্গমিটারজুড়ে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। তাছাড়া এক হাজার ৫৪৫ মিটার অংশ ময়লা ও আবর্জনায় ভরা। এ খালটির ১৬৫/৫, পুলপার ৬৭/৫ পশ্চিম কাটাসুর, ২৫২/১ বসিলা রোড, বেড়িবাঁধ রোড কালভার্ট, মোহাম্মদপুর হাউজিং, নবোদয় হাউজিং ও ৩ নং রোড কালভার্টের দক্ষিণ পাশে খালের মধ্যে একটি মসজিদ ও একটি গির্জা গড়ে উঠেছে। কসাইবাড়ী খালের অস্তিত্বই নেই। উত্তরার দক্ষিণ আজমপুর থেকে শুরু হয়ে কসাইবাড়ী হয়ে মোল্লারটেক পর্যন্ত বিস্তৃতি ছিল এ খালটির এখন এটি পরিণত হয়েছে ড্রেনে। কল্যাণপুর 'খ' খাল কাগজে-কলমে ৪০ ফুট হলেও অনেক জায়গায় খালের কোনো অস্তিত্ব নেই। কোথাও কোথাও ময়লা আবর্জনা ভরে প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এ খালটির দৈর্ঘ্য দুই দশমিক ৪০ কিলোমিটার।

শীতলক্ষ্যা নদী হতে উৎপন্ন হয়ে ক্রমশ সরু হয়ে ঘোপদক্ষিণ মৌজার পশ্চিমপ্রান্তে বাওয়ানী জুট মিলের ভেতরে গিয়েছিল ঘোপদক্ষিণ খাল। এ খালটির বর্তমানে কোন অস্তিত্ব নেই। খালটি অধিগ্রহণ করে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় লতিফ বাওয়ানী জুট মিলস তৈরি হয়েছে। তাই রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য খালের উপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনা অপসারণ, প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ, বিলীন হওয়া খাল উদ্ধার, পুনঃখনন ও বর্ষা মৌসুমের আগে খাল পরিষ্কার বিষয়ে একাধিক সুপারিশ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তরের মেয়র আসিনুল হক বলেন, পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছাড়া কিভাবে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরেসন করা যাবে। রাজউক থেকে কিভাবে অনুমোদন নিয়ে খাল দখল করে সুরম্ম অট্টালিকা করা হয়েছে তা তারাই বলুক। অবৈধ হলে তারা উচ্ছেদ করুক। সিটি করপোরেশন শুধু সমন্বয় বা সহযোগিতা করতে পারে মাত্র।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ঢাকার জন্য জলাবদ্ধতা বড় একটি সমস্যা। আমরা বিভিন্ন খাল উদ্ধারে বিভিন্ন সময় অভিযান করেছি। নন্দীপাড়া খালের উপর স্থাপিত মার্কেট ভেঙে দিয়েছি। কিন্তু দখল হওয়া কিছু কিছু স্থাপনায় উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে। আমরা আইনিভাবে সেগুলো মোকাবিলার চেষ্টা করছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঢাকা মহানগরীর খালগুলো উদ্ধারে ঢাকা ওয়াসা কাজ করছে। ইতিমধ্যে ঢাকার ৪৬টি খালের মধ্যে ১৮টি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতা নিরসনে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ওয়াসা, পৌরসভা আইন, নীতিমালা পর্যালোচনা করে পরিবর্তন বা সংশোধন প্রয়োজন হলে সেটি প্রতিবেদন আকারে আগামী এক মাসের মধ্যে দাখিল করবে। জলাবদ্ধতা নিয়ে কাউকে কোন ধরনের দোষারোপ না করে। সবাইকে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। জলাবদ্ধতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট সকলকেই নিতে হবে। সেবা সংস্থাসমূহকে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। ঢাকা মহানগরীর আয়তন প্রায় ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দুটি সিটি করপোরেশনে প্রায় ২ কোটিরও বেশি লোক বসবাস করে। ঢাকার ড্রেনেজ সিস্টেম বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য এখন উপযুক্ত নয়। তাই ঢাকা ওয়াসাকে এ বিষয়ে সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close