logo

orangebd logo
চাল আমদানি
শুল্ক প্রত্যাহার হচ্ছে
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

চলমান সংকট মোকাবিলায় চালের ওপর আমদানি শুল্ক বাতিলের কথা ভাবছে সরকার। এছাড়া ৫২ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হচ্ছে। যেকোন দিন এসব চাল খালাস হবে। ফলে চালের দাম কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেনটি অনুষ্ঠিত হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে এখনও আমরা পিছিয়ে আছি। কেননা গত বছরের ১ জুলাই হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার কারণে অনেক প্রকল্প থেকে বিদেশিরা চলে গিয়েছিল। কিন্তু এখন তারা ফিরে এসেছে। আশা করছি সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আগামী অর্থবছর মেগা প্রকল্পগুলো দৃশ্যমান হবে।

আগামী বাজেট বিষয়ে তিনি বলেন, বাজেটে মানুষের মধ্যে আশঙ্কার কারণ হচ্ছে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন এবং আবগারি শুল্কের বিষয়টি। এ দুটি বিষয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী এমন কিছু করবেন না যাতে মানুষ কষ্ট পায়। সরকারের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মানুষের সেবা করা, মানুষকে কষ্ট দেয়া নয়।

মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ হচ্ছে না এ কথা ঠিক নয়। বিনিয়োগ বাড়ছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিনিয়োগ হয়েছে জিডিপির ২৮ দশমিক ৮৯ ভাগ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৯ দশমিক ৬৫ ভাগ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩০ দশমিক ২৭ ভাগ। গত আট বছরে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ ১ শতাংশও নিম্নমুখী হতে দেখিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাজেটের আকার নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। বাজেটের আকার কোন সমস্যা নয়। মূল সমস্যা হচ্ছে বাজেটে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানো হবে কিনা, ব্যাংকে টাকা রাখলে শুল্ক দিতে হবে কিনা, চালের শুল্ক থাকবে কিনা এগুলো মূল সমস্যা। এখন এগুলোই আলোচনা হচ্ছে। সিপিডির সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, আমরা এশিয়ান টাইগারের চামড়া নয়, এশিয়ান টাইগারই হবো। আগামীতে আমরা নতুন ভিত্তিবছর ধরে জিডিপি প্রবৃদ্ধিও হিসাব করব। এখন সেটি নিয়ে কাজ চলছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনলেস গ্রোথ হচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে যেখানে অনেক বড় প্রকল্প করা হয় তখন কর্মসংস্থান হবে না। কর্মসংস্থান হবে পড়ে। কেননা বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয় অনেক। ফলে প্রবৃদ্ধি বাড়ে। এখন কর্মসংস্থান হবে না। আমাদের পরিসংখ্যান ঠিকই বলছে, যারা পর্যালোচনা করেছে তারা ঠিক করে নাই। সপ্তম পঞ্চববার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিবছর ২০ লাখ মানুষ কর্মের বাজারে আসে। তাই সেই তুলনায় বেশি কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা রয়েছে। গত ৫ বছর প্রায় ১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে। চলতি বছরে আশা করছি ১ কোটি ২৯ লাখ কর্মসংস্থান হবে। কর্মসংস্থান কমেনি। এডিপির বাস্তবায়ন ভাল হয়েছে।

এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, পরিকল্পনা সচিব জিয়াউল ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম, আইএমইডি সচিব মফিজুল ইসলাম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কেএম মোজাম্মেল হক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এএন সামমুদ্দিন আজাদ চৌধুরী প্রমুখ।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close