logo

orangebd logo
ঈদে ঘরেফেরা
ঢাকার ৭ পয়েন্টে যানজট
মন্ত্রী বললেন শান্তি দিতে পারবেন না
মাহমুদ আকাশ

মহাসড়কে নিজেই যানজটের শিকার হয়ে বিরক্ত প্রকাশ করে সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, মহাসড়কে ঈদের আগেই যে যানজট শুরু হয়েছে তাতে ঘরেফেরা মানুষকে শান্তি দিতে পারবো না। তবে স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। 'প্রতিবছর ঈদের সময় এই যানজটের সৃষ্টি' এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্যবারের চেয়ে এবার ঈদের সময় যে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে তা আগে কখনো দেখিনি। ঈদে যানজট হবে, তবে সহনীয় পর্যায়ে আনতে চেষ্টা করা হচ্ছে। যানজটের জন্য সড়ক নয়, রং সাইড দিয়ে গাড়ি চালানোর মানসিকতাকে দায়ী করেন তিনি। গত রোববার রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)'র ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তাই এবার ঈদযাত্রায় ঘরেফেরা মানুষের জন্য সুখবর নেই। রাজধানীর প্রবেশ ও বের ৭টি মুখেই যানজটে শিকার হতে হবে। ঢাকা থেকে বের হওয়ার সড়কগুলো চার-আট লেন করা হলেও সেতুগুলো এখনো দুই লেনেই আছে। তাই মহাসড়কের গাড়ির চাপ সেতুর মুখে এসে দীর্ঘ যানজটের তৈরি হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা মুখের সেতুগুলো দ্রুত সংস্কারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া সড়ক মুখে যানজটে বেহাল অবস্থা। মহাসড়কগুলো চার লেন করা হলেও ঢাকা প্রবেশের সড়ক মুখের সেতুগুলো দুই থাকায় এই যানজটের সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয়রা জানান। এছাড়া রাস্তার পাশে অবৈধ স্থাপনা, ফুটপাতের দোকান, অবৈধ গাড়ি পার্কিং ও খানাখন্দ সড়কের কারণে রাজধানীর প্রবেশ মুখেই প্রতিনিয়ত প্রচ- যানজটের শিকার হতে হয় আন্তঃজেলা যানবাহনকে। তাই এবার ঈদ যাত্রায় রাজধানীর প্রবেশমুখে সড়কগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে যানজটে শিকার হয়ে ঘরমুখো মানুষদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে স্থানীয়রা জানান। বিশেষ করে কাচপুর ব্রিজ-সাইনবোর্ড মোড়, জুরাইন রেল ক্রসিং-পোস্তগোলা ব্রিজ, বাবুবাজার ব্রিজ-বংশাল মোড়, আমিনবাজার ব্রিজ-গাবতলীর মোড়, কামারপাড়া-আব্দুল্লাহপুর মোড় ও সুলতানা কামাল ব্রিজ থেকে ডেমরা মোড়সহ রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়া এই ৭টি মুখেই প্রচ- যানজটে শিকার হতে হয় পরিবহনকে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা ও গোমতী সেতু মুখে প্রতিনিয়ত যানজটের শিকার হচ্ছে ঘরমুখো মানুষ। এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে অতিরিক্ত গাড়ির চাপে যানজটে পড়ে ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন যাত্রী সাধারণ। মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে অতিরিক্ত গাড়ি চলাচল। ফলে এ সরু মহাসড়কে যানজট লেগেই থাকছে। ঈদের আগ মুহূর্তে এর মাত্রা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে স্থানীয় জানান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা থেকে বের হয়ে সারাদেশের আন্তঃজেলা যানবাহন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ঢাকা-মানিকগঞ্জ-পাটুরিয়া আরিচা মহাসড়ক, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে প্রবেশ করে। কিন্তু এই মহাসড়কে প্রবেশের আগেই ফেরিঘাট ও সেতুর মুখে দীর্ঘ যানজটের শিকার হতে হয়। তাই এবার ঈদেও সড়কপথের ঢাকা থেকে বের ও প্রবেশের মুখে যানজটের কারণে চরম দুভর্োগে শিকার হতে হবে ঘরমুখো মানুষদের। যানজটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে যাত্রী যানবাহনগুলো। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-বরিশাল ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যাত্রীদের ঢাকা থেকে প্রবেশ ও বের হতে হয় কাচপুর, পোস্তগোলা ও বাবু বাজার ব্রিজ দিয়ে। তাই এই চারটি মহাসড়কের যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার মুখেই যানজটে শিকার হতে হতে হয়। এর মধ্যে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর চৌরাস্তা থেকে সাইনবোর্ড হয়ে কাচপুর ব্রিজ পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়কে সড়কে যানজট লেগেই থাকে। তবে ফ্লাইওভার উপরে অনেটটাই ফাঁকা থাকে। এছাড়া কাচপুর ব্রিজ থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় প্রতিদিনেই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। যা ঈদের আরও দ্বিগুণ হওয়া আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের যাত্রীরাও কাচপুর ব্রিজ ব্যবহার করে রাজধানীতে প্রবেশ করে তাই প্রচ- যানজটের শিকার হতে এই মহাসড়কের যাত্রীদের। ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট এই দুই মহাসড়কের যাত্রীদের ঢাকা প্রবেশ করতে হয় চার লেনের একমাত্র কাচপুর ব্রিজ দিয়ে। দুই মহাসড়কের গাড়ির চাপের কারণে ব্রিজে ওঠার ৩০ কিলোমিটার আগ থেকে যানজট তৈরি কাচপুর ব্রিজের মুখে। এছাড়া শনিড়আখড়া থেকে কাচপুর ব্রিজ পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কে আট লেন করা হয়েছে। কিন্তু সড়কের পাশে অবৈধ দোকানপাট ও গাড়ি পার্কিংযের প্রতিনিয়ত যানজট তৈরি হয় এই সড়কে।

এছাড়া ঢাকা-বরিশাল ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যাত্রীরা রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হয় পোস্তগোলা ও বাবুবাজার ব্রিজ দিয়ে। এছাড়া আরিচা ফেরিঘাট দিয়ে গাবতলীর আমিনবাজার সেতু দিয়েও উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের সাথে ওই মহাসড়কের যাত্রীরা ঢাকায় প্রবেশ করে। কিন্তু ঢাকার প্রবেশের মুখেই জুরাইন রেলগেট থেকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, বাবুবাজার ব্রিজের ওপর থেকে বংশাল মোড় ও আমিনবাজার ব্রিজ থেকে গাবতলীর মোড় পর্যন্ত যানজটে আটকে থাকতে হয় ঘরমুখো যাত্রীদের। এর মধ্যে জুরাইন রেলগেটের এলাকা রাস্তা দখল করে ফুটপাতের দোকান, এলোমেলোভাবে গাড়ি পার্কিং ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিনিয়ত এই সড়কগুলোতে যানজট গেলে থাকে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

এদিকে বাবুবাজার ব্রিজের উপরে অবৈধভাবে কাউন্টার তৈরি করে বাসের টিকিট বিক্রি, অবৈধ গাড়ি পার্কিং ও ফুটপাতের দোকানের কারণে প্রচ- যানজট সৃষ্টি হয় বলে যাত্রীরা জানান। পাশাপাশি ফেরিঘাটেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে ঢাকায় প্রবেশ ও বের হতে হয়। যা ঈদের আগে আরও প্রকট হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন যাত্রীরা। অপরদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা-জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের যাত্রীরা টঙ্গী ব্রিজ দিয়ে রাজধানীতে করে তাই প্রবেশ মুখেও থেমে থেমে যানজটের শিকার হতে হচ্ছে যাত্রীদের। সরু রাস্তার কারণে আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া বেড়িবাঁধে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে রাজধানী থেকে বের হওয়া মুখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে পড়ে চরম দুভর্োগে পড়তে হয় ঘরমুখো এই মানুষদের। এছাড়া ইতিমধ্যে বৃষ্টির কারণে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে। টাঙ্গাইল, সাভার, ধামরাইসহ উত্তরাঞ্চলের অনেক যাত্রী এই সড়ক দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করে। তাই সড়কগুলো মেরামত করে যানজটমুক্ত রাখার দাবি জানান স্থানীয়রা।

সারোয়ার নামের কাচপুর এলাকার যাত্রী বলেন, গুলিস্তান থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত আসতে সময় লাগে ১০ মিনিট। কিন্তু সাইনবোর্ড থেকে কাচপুর ব্রিজ পাড় হতে সময় সময় লাগে ১ ঘণ্টা। সড়ক আট হলেও কাচপুর ব্রিজে ছোট হওয়ার কারণে এই যানজট তৈরি হয়। এছাড়া সড়কের পাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও অবৈধ স্থাপনার কারণে এই সড়কে প্রচুর যানজট তৈরি হচ্ছে। যা ঈদের সময় আরও দ্বিগুণ হবে বলে জানান তিনি।

জুরাইন এলাকার কওসার আহমেন নামের এক যাত্রী বলেন, প্রতিনিয়ত জুরাইন রেলগেট এলাকায় যানজট আটকে থাকতে হয়। যাত্রাবাড়ী থেকে শুরু করে জুরাইন রেলগেট পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। এর মূল কারণ ভাঙ্গাচোরা সড়ক ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনা। এছাড়া রাস্তা দখল করে এলোমেলোভাবে গাড়ি পার্কিং ও ফুটপাতের দোকানও রাস্তায় যানজট তৈরি করছে। এরকম থাকলে রোজা ও ঈদের সময় প্রচ- খারাপ অবস্থা তৈরি হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে গাজীপুরের ভোগড়া পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চার লেনের কাজ চলছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন কাজের জন্য বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতিদিন নূ্যনতম ২৪ হাজার গাড়ি চলাচল করছে এ মহাসড়কে। ঈদের সামনে এ মহাসড়কে গাড়ি চলাচলের সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় এবারও ঈদে নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌঁছানো কিংবা বাড়ি থেকে ফেরা সম্ভব হবে না বলে মনে করেন গাড়ির চালকরা। এ মহাসড়কে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের অন্তত ২৩টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। তাই এ মহাসড়কে গাড়ির চাপ থাকে সব সময়ই বেশি। এ কারণে প্রতিবছর ঈদ মৌসুমে এ সড়কে যানজট লেগেই থাকে। এছাড়া টাঙ্গাইলের ধেরুয়া রেলক্রসিংয়ে উত্তরবঙ্গের ১২টি ট্রেন দিনে ২৪ বার আসা-যাওয়া করে এবং এ কারণে এই রেলক্রসিংয়ে মহাসড়কের যানবাহনগুলোর প্রায় দেড় ঘণ্টা নষ্ট হয়। এটিও যানজটের অন্যতম কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মহাসড়কে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় রাস্তা বন্ধ রেখে মহাসড়কের চার লেনের উন্নীতকরণের কাজ করছে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগ। শুধু টাঙ্গাইল নয়, গাজীপুরের ভোগড়া পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মহাসড়কে চার লেনের এ কাজ চলছে। মহাসড়কে অনেক অংশে ভেঙে চার লেনের কাজ করা হচ্ছে। এতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি ও রাস্তা খুঁড়ে কাজ করায় যান চলাচলে ধীরগতির কারণে দীর্ঘ যানজট হচ্ছে। ফলে টাঙ্গাইলের সীমানায় মির্জাপুরের গোড়াই থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত অন্তত ৪৫ কিলোমিটার এলাকার পাকুল্লা, জামুর্কী, করটিয়া, পৌলী ও এলেঙ্গায় প্রায় সময়ই গাড়ির ধীরগতি থাকে। দুর্ঘটনা ও গাড়ি বিকল হলেও যানজট সৃষ্টি হয়।

এ মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা জানান, কর্তব্যরত পুলিশ শুধুমাত্র যানজট হলে তৎপর হয়ে ওঠে। তারা সব সময় তৎপর থাকলে মহাসড়কে যানজট অনেকটাই কম হবে। এ মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী কয়েকটি দূরপাল্লার বাসের চালক ও সুপারভাইজাররা মনে করেন, চার লেনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ মহাসড়কে যানজট থাকবেই। তবে জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ যদি নিয়মিত তৎপর থাকে তাহলে অনেকাংশে যানজট কম হবে।

টাঙ্গাইল জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মীর লুৎফর রহমান লালজু জানান, এ মহাসড়কে প্রতিদিন ২৪ হাজার যানবাহন চলাচল করে থাকে। ঈদের ৪-৫ দিন আগে থেকে পরেও ৩-৪ দিন মহাসড়কে প্রতিদিন প্রায় ৭৫ হাজার গাড়ি চলাচল করে। এ অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এ মহাসড়ক সহ্য করতে হিমশিম খায়। চার লেনের কাজ চলা, বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়া এবং আগের সড়কের অবস্থাও ভালো না থাকার কারণে এ বছরও ঈদে যানজট হবে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম জানান, মহাসড়কের নিরাপত্তা ও যানজট নিরসনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি যান চলাচল, চার লেনের নির্মাণ কাজ চলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানবাহন বিকল হওয়াসহ নানা কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আর যানজটে আটকা পড়ে যাত্রীদের যাতে দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেজন্য জেলা ও হাইওয়ে পুলিশ রাস্তায় রয়েছে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক সংবাদকে বলেন, রাজধানী ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া মুখে যাতে যানজট তৈরি না হয় সে বিষয় নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করে নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়া সড়কগুলো মেরামতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করা হয়। পাশাপাশি রাস্তার পাশে যদি অবৈধ স্থাপনা থাকে তা উচ্ছেদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়। তাই এবার এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে কার্যপত্র তৈরি করা হয়েছে। যাতে করে রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়া সড়কগুলো যানজটমুক্ত রাখা যায় সে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close