logo

orangebd logo
চুনারুঘাটের কমিউনিটি ক্লিনিক অন্তহীন সমস্যায় জর্জরিত
খন্দকার আলাউদ্দিন, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)

চুনারুঘাটের কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিকগুলো অবকাঠামোগত সমস্যাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত অবস্থায় রয়েছে। এসব কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর লাখ লাখ মানুষ সেবা নিতে গিয়ে উল্টো দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সরকার কতৃক এসব ক্লিনিকগুলোতে ২৮ প্রকার ওষধ প্রধান ও সপ্তাহে ৬ দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চিকিৎসা সেবার কার্যক্রম চলার কথা থাকলেও সব জায়গায় এ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। চুনারুঘাটের উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ১৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো রয়েছে। এদিকে কর্মরত হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) গত চার মাস থেকে বেতন পাচ্ছেন না।কবে নাগাদ বেতনভাতা পাবেন সে ব্যাপারে কেউ কিছুই বলতে পারছেন না। ফলে তাদের পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। নিয়মিত বেতনভাতাদি না পাওয়া, বার্ষিক বর্ধিত বেতন না থাকা, চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় অনেকেই এই পেশা ছেড়ে দিতে চাচ্ছেন। অন্যদিকে অধিকাংশ ক্লিনিকের ভবন মেরামত না করায় ভবনে ফাটল, প্লাস্টার ও চুনকাম নষ্ট হয়ে গেছে।ক্লিনিকের টিউবওয়েল, ল্যাট্রিন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। অধিকাংশ ক্লিনিকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকায় এর কার্যক্রম সঠিকভাবে চালানো যাচ্ছে না। ঠিকমতো ওষুধ সরবরাহ না থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রামের সাধারণ মানুষ।জানা গেছে, এই উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নে ৪০টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। গত ছয় মাসে নারী-পুরুষ, গর্ভবতী মা ও শিশুসহ সেবা প্রদান রোগীর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার।বর্তমান সরকার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পেঁৗছে দিতে ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ভবনে ২০০১ সাল থেকে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম চালু করে। এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। নিয়োগের পর থেকে সিএইচসিপিদের চাকরি সরকারিকরণের আশা দেওয়া হয়। কিন্তু সে আশা এখনও বাস্তবে রূপ নেয়নি। কমিউনিটি বেসড হেলথ কেয়ার প্রকল্পের অধীনে তাদের চাকরি ন্যন্ত করা হলে গত বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তারা বেতনভাতাদি পেয়েছেন। এরপর থেকে বেতনভাতা পাননি।কর্মরত স্বাস্থ্য কর্মীরা জানান, স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে প্রসূতি, মা ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি। প্রতি দুই মাসে শিশুদের জন্য বরাদ্দ ওষুধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ দেবনাথ বলেন- প্রাপ্ত ওষুধ ঠিকমতো সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে রোগীদের তুলনায় ওষুধের স্বল্পতা রয়েছে। তিনি সিএইচসিপিদের প্রসঙ্গে বলেন, তাদের কয়েক মাসের বেতনভাতা এক সঙ্গে হয়। তবে চার মাস ধরে বেতন বন্ধের বিষয়টি অমানবিক। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানে।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close