logo

orangebd logo
৭০ সর. প্রা. স্কুলে প্রধান শিক্ষকসহ ৭৭ পদ শূন্য
প্রতিনিধি, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ৭০টি সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই এবং ৫৪ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। এসকল প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে প্রধান শিক্ষকের কার্যক্রম। ফলে শিক্ষা কার্যক্রমসহ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম পিছিয়ে রয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, তার মধ্যে ২৩টি বিদ্যালয়েই প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষক শূন্য স্কুলগুলো হলো, গহীন খালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ ফুলখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর কাজীর হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ কাজির হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গন্ডদুলা এম এইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম মৌডুবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফেলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরগঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাটাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডিগ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছাতিয়ান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাওলাদার কান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চালিতাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম গুলবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিনাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব নেতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাইলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামচাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব চরমোন্তাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর রুস্তুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলদিয়াখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোটবাইশদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সদর ইউনিয়নের তিনটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একসঙ্গে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে অনেককে। বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের। এ অবস্থায় ওই শিক্ষকেরা না পড়াশোনার (ক্লাস) খবর নিতে পারছেন, না দাপ্তরিক কাজ ঠিকঠাকভাবে করতে পারছেন। এসব স্কুলে সঠিক সময়ে ক্লাস শুরু হয় না এবং সময়ের আগেই স্কুল ছুটি দিয়ে দেয়া হয়। এ রকম একটা বিদ্যালয় উপজেলার গন্ডাদুলা এম এইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তানিয়া বেগম বলেন, এখন আমি সহকারী ও প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা পালন করছি। প্রশাসনিক দিক সামলানোর পর প্রতিদিন ক্লাস নেওয়া খুবই কষ্টকর। ওই সব বিদ্যালয়ের অভিভাবকেরা নতুন বছরের লেখাপড়ার শুরুতই দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম সগির জানান, স্কুল গুলোতে প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষাকার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে, খুব জরুরি নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া দরকার।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close