logo

orangebd logo
চাঁপাইয়ে বোরোর ভালো ফলনেও দুশ্চিন্তায় কৃষক
ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বাড়তি খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক
জেলা বার্তা পরিবেশক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার ইরি-বোরো মৌসুমে ধানের ফলন ভালো হলেও ঝড় ও শিলাবৃষ্টির মাঠের ধান ঘরে তুলতে বাড়তি খরচ হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি নেই।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪৬ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১লাখ ৮১ হাজার ৭৪ মেট্রিক টন ধান। মৌসুমের শুরুতে বিদ্যুৎ, সার, সেচের সংকট ছিল না। কিন্তু এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত কয়েকদফা ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়া বিরাজ করায় পাকা ধান কাটতে কৃষকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে শ্রম ও ঘামে ভেজা কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে এখন ব্যস্ত এ অঞ্চলের কৃষকরা। ফসলের মাঠ জুড়ে সোনালী ধানের শীষে রোদ যেন কৃষকের মনে যুক্ত করেছে অন্য রকম এক অনাবিল আনন্দ। কিন্তু তা ক্ষণিকেরই, কেননা চলতি মৌসুমে কয়েক দফা শিলাবৃষ্টি ও কাল বৈশাখীর তা-বে বেশিরভাগ মাঠের ধান শুয়ে যাওয়ায় কৃষকরা ধান কাটতে বিড়ম্বনায় পড়েছে। এদিকে ধান কাটতে বাড়তি খরচ ও শ্রমিক সঙ্কটে ভুগছে কৃষকরা। এরপরও থেমে নেই তাদের ধান কাটা।

সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের গোকুল গ্রামের কৃষক আব্দুল করিম জানান, তিনি সাড়ে ৫ বিঘা জমি চাষ করে ১০৪ মণ ধান পেয়েছেন। তার বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ৫ হাজার টাকা। হাট-বাজারে বর্তমানে ৯শ থেকে সাড়ে ৯শ টাকা মণ দরে ধান বিক্রি হচ্ছে এবং নতুন ধানের চাহিদাও রয়েছে।

নাচোল উপজেলার কৃষক সাদেকুল ইসলাম জানান, তিনি ১০ বিঘা জমিতে ২শ' মণ ধান পেয়েছেন। তবে, ধান কাটার পূর্ব মুহূর্তে কয়েকদফা ঝড়ে গোটা মাঠের ধান শুয়ে যায়। বেশি পারিশ্রমিকে শ্রমিক নিয়োগ করে ধান কাটায় খরচ বেশি হয়েছে।

অন্যদিকে, নাচোলের একাধিক কৃষক জানান, পাকা ধান কাটার মুহূর্তে প্রায় মেঘ মেঘ ভাব, প্রায়ই সময় ঝড় বৃষ্টি কড়া রৌদ্র না থাকায় বাড়তি বিড়ম্বনায় পড়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মঞ্জুরুল হুদা জানান, ইতিমধ্যে ৮০ভাগ মাঠের ধান কাটা শেষ হয়েছে এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে বাকি ধান কাটা শেষ হবে। এ বছর পাকা ধান কাটার আগে কৃষকরা ঝড় বৃষ্টির কারণে কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়লেও ফলন ভালো হয়েছে। তবে শিলাবৃষ্টি ও ঝড় হওয়ার পরও শিবগঞ্জ, নাচোল ও সদর উপজেলায় ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়। তারপরও উৎপাদনে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close