logo

orangebd logo
সৈয়দপুর
প্রচারণা ছাড়াই চলছে খানা শুমারি কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
প্রতিনিধি, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

কোন প্রচারণা না চালিয়েই সৈয়দপুরে ঢিলেঢালা ভাবে চলছে খানা শুমারির গণনা কাজ। ফলে সরকারের খানা শুমারির উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। এমনকি গণনা কর্মী নিয়োগেও দুর্নীতির অভিযোগ মিলেছে।

জানা যায়, তথ্য সংগ্রহকালে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বেশকিছু নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করা হলেও তা মানা হয়নি। নির্দেশনায় পোস্টার সাটানো, লিফলেট বিতরণ, স্টিকার, ব্যানার সরবরাহ, বিলবোর্ড স্থাপন, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, মাইক প্রচার, স্থানীয় ক্যাবল অপারেটরে প্রচারণাসহ অন্যান্য বিষয় উল্লেখ করা হলেও সামান্য পোস্টার ও স্টিকার লাগানো ছাড়া অন্য কিছুই করা হয়নি। এছাড়া খানা শুমারির জন্য গণনাকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে পরামর্শ করার জন্য বলা হলেও সৈয়দপুরে তা মানা হয়নি। এমন অভিযোগ মিলেছে জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে। ফলে দায়িত্বহীনতার কারণেই ঢিলেঢালাভাবে চলা খানা শুমারির গণনা কাজ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

সূত্র জানায়, গত ৪ এপ্রিল সারাদেশের মতো সৈয়দপুরেও শুরু হয়েছে খানা শুমারির গণনা কাজ। সৈয়দপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার জন্য উপজেলা পরিসংখ্যান দপ্তর ৩৩৩ জন গণনাকারী, ৫৭ জন সুপারভাইজার ও ১২ জন জোনাল অফিসার নিয়োগ দিয়েছে। এদের মধ্যে পৌরসভায় ১৪৯ জন গণনাকারী, ২৫ জন সুপারভাইজার ও ৫ জন জোনাল অফিসার শুমারির কাজে নিয়োজিত রয়েছে। অপরদিকে ৪টি ইউনিয়নে ২০৯ জন গণনাকারী, ৩২ জন সুপারভাইজার ও ৭ জন জোনাল অফিসার এ কাজে অংশ নিচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, খানা শুমারির জন্য গণনাকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে পরামর্শ নিয়ে কাজ করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানেনি দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থানীয় পরিসংখ্যান দপ্তর। বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরনবী অভিযোগ করে বলেন, খানা শুমারির বিষয়ে ওয়ার্ডের অনেকেই জানেনা। ঢিলেঢালা ভাবে চালানো হচ্ছে এসব কাজ। বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল হেলাল চৌধুরী অভিযোগ করেন, পরিসংখ্যান দপ্তরের লোকজন খানা শুমারির জন্য গণনাকারী ও সুপারভাইজারের তালিকা তার কাছ থেকে নিলেও তার দেয়া তালিকার একজনকেও নিয়োগ দেয়া হয়নি। তারা উৎকোচের মাধ্যমে অন্যান্যদের নিয়োগ দিয়েছে। এমনকি একই পরিবারের একাধিক লোককে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সাথে কথা হলে তিনি অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। গণনাকারী ও সুপারভাইজার মোট কত টাকা সম্মানী পাবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্মানির বিষয়টি এখনও উপর থেকে বলা হয়নি।

নীলফামারী জেলা পরিসংখ্যান দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি প্রচার প্রচারণার বিষয়ে সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, এসব বিষয়ে যাদের দায়িত্ব ছিল তাদের কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। গণনাকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের বিষয়টি সরাসরি স্বীকার না করে তিনি বলেন, তালিকা প্রণয়নের সময় এসব তুলে ধরলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া যেত। গণনাকারী, সুপারভাইজার এবং জোনাল অফিসারদের সম্মানিত কত দেয়া হবে তা বলতে রাজি হননি তিনি।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close