logo

orangebd logo
পাম অয়েল আমদানি হ্রাসের পরিকল্পনা
ইইউর বিরুদ্ধে ডব্লিউটিওর দ্বারস্থ হবে ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

ইউরোপের দেশগুলোয় জৈব জ্বালানি উৎপাদনে পাম অয়েলের ব্যবহার রোধে গত এপ্রিলে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ২০২০ সালের মধ্যে ইউরোপে পাম অয়েলের আমদানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যাবে। এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে পণ্যটির শীর্ষ রফতানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া। এবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডবিস্নউটিও) দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশ দুটির সরকার। খবর রয়টার্স।আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা পাম অয়েলের ৯০ শতাংশই আসে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে। গত বছর দেশ দুটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোয় সম্মিলিতভাবে ৪৩ লাখ ৭০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি করেছিল। এখন অন্যতম ক্রেতা ইউরোপের বাজারে পণ্যটির রফতানি হ্রাসের সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে করণীয় নির্ধারণে গতকাল বৈঠকে বসেন দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীরা। বৈঠক শেষে দেয়া যৌথ বিবৃতিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ দুটির পক্ষ থেকে এ ইস্যুতে প্রয়োজনে ডবিস্নউটিওর দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানানো হয়।যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, যদি পাম অয়েলের ব্যবহার হ্রাসসংক্রান্ত ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রস্তাবটি ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের জন্য বৈষম্যমূলক হয়, তবে দেশ দুটি যৌথভাবে ডবিস্নউটিওর দ্বারস্থ হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। ইউরোপের বাজারে পাম অয়েলের সম্ভাব্য রপ্তানি হ্রাসের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে জুলাইয়ের শেষ নাগাদ দেশ দুটি ফের আলোচনায় বসবে। এ সময় ইইউসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আলোচনায় অংশ নিতে আহ্বান জানানো হবে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আলোচনার মাধ্যমে আসন্ন সংকট নিরসন এবং পণ্যটির সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া যৌথভাবে কাজ করবে। এর মধ্য দিয়ে দেশ দুটি আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রেখে দাম ধরে রাখতে চায়। এজন্য পাম অয়েল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন কাউন্সিল অফ পাম অয়েল প্রডিউসিং কান্ট্রিজের (সিপিওপিসি) সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী উদ্যোগ নেয়া হবে। মূলত বনভূমি ধ্বংস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ২০২০ সালের মধ্যে জৈব জ্বালানির উপাদান হিসেবে পাম অয়েলের ব্যবহার বন্ধ করতে চায় ইইউ। চলতি মাসের শুরুতে ইইউর অন্যতম প্রভাবশালী দেশ ফ্রান্স বায়োডিজেলের উপাদান হিসেবে পাম অয়েলের ব্যবহার সীমিত করার পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানিয়েছে। এর ফলে দেশটিতে পাম অয়েলের আমদানি হ্রাস পাবে। ফ্রান্সের এ পরিকল্পনার বিষয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে পণ্যটির রপ্তানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া।ইউরোপে রপ্তানি হ্রাসের সম্ভাবনার বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের (জিএসপিকেআই) নির্বাহী পরিচালক ফাহদিল হাসানের ভাষ্য অনুযায়ী, যেহেতু ফ্রান্স ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা নয়, সেহেতু দেশটিতে রপ্তানি কমলেও পণ্যটির বাজারে খুব একটা প্রভাব পড়বে না। কিন্তু পুরো ইউরোপের বাজারে পণ্যটির রপ্তানি কমলে ইন্দোনেশিয়ার ব্যবসায়ীরা বড় রকমের ক্ষতির মুখে পড়বেন।

খবরটি পঠিত হয়েছে ১০১ বার
font
font
সর্বাধিক পঠিত
আজকের ভিউ
পুরোন সংখ্যা
Click Here
সম্পাদক - আলতামাশ কবির । ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - খন্দকার মুনীরুজ্জামান । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক - কাশেম হুমায়ুন ।
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত।
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৯৫৬৭৫৫৭, ৯৫৫৭৩৯১। কমার্শিয়াল ম্যানেজার : ৭১৭০৭৩৮
ফ্যাক্স : ৯৫৫৮৯০০ । ই-মেইল : sangbaddesk@gmail.com
Copyright thedailysangbad © 2017 Developed By : orangebd.com.
close